ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও উদ্ধার সক্ষমতা বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সভায় তিনি রাজধানীসহ দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ, জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ এবং জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দুর্যোগে প্রাণহানি কমাতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকাসহ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবন শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজউক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
- দুর্যোগ মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, ফায়ার সার্ভিস এবং জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার এবং উদ্ধার কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়াতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবনগুলো দ্রুত শনাক্ত করে সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান এবং জরুরি উদ্ধার সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশনা দিয়েছেন।
এই উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে এই সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত সাড়া প্রদান এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে, যা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।