৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমান অবতরণের মুহূর্তে হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রানওয়ের কাছাকাছি আঘাত হেনেছে। তবে বিমানটি অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো গেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, বিমানবন্দর ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো এ হামলায় নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫ এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে বেসামরিক যাত্রীবাহী বিমান অবস্থানের সময় কয়েকশত মিটার দূরে হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে, তবে বিমানের সব যাত্রী অক্ষত রয়েছেন।
- হামলায় বিমানবন্দর চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় ৫ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হন, যার পরপরই সাময়িকভাবে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত ঘোষণা করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
- সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোটের মুখপাত্র জানান, বেসামরিক স্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হুথিরা যুদ্ধাপরাধ সংঘটন করছে এবং এর জবাবে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্রিয় করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি যাত্রীবাহী বিমানের একেবারে কাছাকাছি হুথি বিদ্রোহীদের নিক্ষিপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। অল্পের জন্য ক্ষেপণাস্ত্রের প্রত্যক্ষ আঘাত থেকে বিমানটি রক্ষা পেলেও রানওয়ে সংলগ্ন এলাকায় তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে অন্তত ৫ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমস্ত উড়োজাহাজ ওঠা-নামা স্থগিত করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, যাত্রীবাহী বিমানটি রানওয়েতে অবতরণ করে ট্যাক্সিওয়ে দিয়ে টার্মিনালের দিকে অগ্রসর হওয়ার মুহূর্তেই বিকট শব্দে ক্ষেপণাস্ত্রটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় টার্মিনাল ভবনের কাচ ভেঙে পড়ে এবং আশপাশে থাকা যানবাহনে আগুন ধরে যায়। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করে এডেনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে সমন্বিত আঘাত হানার কৌশল বজায় রেখেছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোট এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, বেসামরিক বিমান ও আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ঝুঁকিতে ফেলা সুস্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরবের ইয়ানবুমুখী একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করা হলেও এডেনের বেসামরিক এলাকায় চালানো এই আকস্মিক হামলা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পরপরই জোটের যুদ্ধবিমানগুলো হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে।
এডেন বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানের ওপর এই হামলা আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এর ফলে ইয়েমেনে ত্রাণ কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক সহায়তা কর্মীদের যাতায়াত চরমভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে লোহিত সাগর ও তৎসংলগ্ন আকাশপথে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনায় বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলো, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার The Daily Ittefaq-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।