৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রকাশিত কার্যবিবরণী অনুযায়ী, চলতি বছর মূল্যস্ফীতির হার ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে সুদের হার আরও এক দফা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন বেশিরভাগ কর্মকর্তা। এর আগে গত ১৫-১৬ সেপ্টেম্বরের সভায় সুদের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে প্রায় ৩.৯ শতাংশে উন্নীত করা হয়, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুদের হার কমানোর প্রকাশ্য আহ্বানের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, নির্ধারিত ২ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চলতি বছর সুদের হার আরও এক দফা বাড়ানোর জোরালো ইঙ্গিত দিয়েছেন অধিকাংশ নীতিনির্ধারক।
- এর আগে গত ১৫-১৬ সেপ্টেম্বরের সভায় তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সুদের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে প্রায় ৩.৯ শতাংশে উন্নীত করা হয়, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কমানোর আহ্বানের উল্টো ছিল।
- ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীদের ধারণা অনুযায়ী, আগামী ২৮-২৯ অক্টোবরের সভায় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হলেও ডিসেম্বরের নির্ধারিত সভায় তা আবারও বাড়ানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক এক সভার প্রকাশিত কার্যবিবরণী বা মিনিটস থেকে জানা গেছে, দেশের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংস্থার অধিকাংশ কর্মকর্তাই চলতি বছর সুদের হার আরেক দফা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত ২ শতাংশ মূল্যস্ফীতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় নীতিনির্ধারকরা এই কঠোর অবস্থানের দিকে ঝুঁকেছেন।
এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, গত ১৫-১৬ সেপ্টেম্বরের গুরুত্বপূর্ণ সভায় ফেড তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সুদের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে প্রায় ৩.৯ শতাংশে উন্নীত করে। সুদের হার বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত সুদের হার কমানোর রাজনৈতিক আহ্বানের ঠিক উল্টো ছিল। এর ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের সুদ-নির্ধারণী কমিটির তীব্র সমালোচনা করেন এবং তাদের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত ভুল বলে মন্তব্য করেন, যদিও চলতি বছরের শুরুতে নিজেরই নিয়োগ দেওয়া বর্তমান ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের প্রতি তিনি সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন।
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক সাত সপ্তাহ আগে এই সুদের হার বৃদ্ধির ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন সাধারণ মার্কিন নাগরিকরা মুদিপণ্য, জ্বালানি এবং বাসস্থানের উচ্চ ব্যয়ের কারণে ইতিমধ্যেই অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন। এছাড়া সরকারি ঋণ বৃদ্ধি, ডেটা সেন্টার নির্মাণে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল ঋণ গ্রহণ, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার ফলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সেমিকন্ডাক্টর ও কম্পিউটার সরঞ্জামের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সুদহার গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী ২৮-২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সভায় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হলেও আগামী ডিসেম্বরের সভায় তা আবারও বাড়ানো হতে পারে। ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ সম্প্রতি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, মূল্যস্ফীতির হার দীর্ঘকাল ধরে কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে বেশি রয়েছে এবং তা দ্রুত কমিয়ে আনতে নীতিনির্ধারকরা নীতি কঠোর করতে দ্বিধা করবেন না।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার আমেরিকা বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।