নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের বেসরকারি এলপিজির দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), যা গত মাসে ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের চুক্তিমূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের নতুন দাম প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার রাতে এই নতুন দাম কার্যকর হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা, যা গত অক্টোবরের ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে ২২৩ টাকা বেশি।
- সৌদি আরামকোর প্রোপেন প্রতি টন ৭২০ ডলার এবং বিউটেন প্রতি টন ৭৮০ ডলার নির্ধারিত হওয়ায় গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে ৭৫৯ ডলারে।
- যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা, যা সোমবার রাত ৮টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি ওজনের একটি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত মাসে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা ছিল। সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয় এবং ওইদিন রাত ৮টা থেকেই তা কার্যকর হয়। একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নভেম্বর মাসের জন্য সৌদি আরামকোর প্রোপেন প্রতি টন ৭২০ ডলার এবং বিউটেনের দাম প্রতি টন ৭৮০ ডলার নির্ধারণ করায় গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে প্রতি টন ৭৫৯ ডলারে। এর সঙ্গে এলপিজি আমদানিতে জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম প্রতি টন ২৫০ ডলার এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ৪৬ পয়সা ধরে নতুন এই দাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা পড়েছে। এছাড়া সরকারি এলপিজি কোম্পানির সরবরাহকৃত ১২ দশমিক ৫০ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির তরল অবস্থায় প্রতি কেজির দাম মূসকসহ ১৬৫ টাকা ৮৫ পয়সা এবং গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি ঘনমিটারের দাম ৩৬৮ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এলপিজির এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ভোক্তা ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক গৃহস্থালি খরচে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে পাইপলাইনের গ্যাসের অনুপস্থিতিতে যারা সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরশীল, তাদের রান্নার ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে পরিবহন খাতে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিচালন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।