৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কনট প্লেসে প্রস্তাবিত 'লেহরা দো তিরঙ্গা' কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পূর্বে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ঝান্ডেওয়ালা এলাকায় তাঁর বাসভবনে ২০ জনের বেশি পুলিশ গিয়ে নোটিস দেয়। সেন্ট্রাল পার্কে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস-এর ১৬৩ ধারা জারির উল্লেখ করে তাঁকে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে নিষেধ করা হয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দিল্লি পুলিশের ২০ জনেরও বেশি কর্মী ঝান্ডেওয়ালা এলাকায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে আটক করেন এবং দুটি সরকারি নোটিস জারি করেন।
- পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৬৩ ধারা কার্যকর রয়েছে এবং সেন্ট্রাল পার্কে প্রস্তাবিত 'লেহরা দো তিরঙ্গা' কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যাবে না।
- দ্বিতীয় নোটিসে দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে পূর্বের একটি ঘটনার উল্লেখ করে আদালত কর্তৃক এক বছরের জন্য জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নয়াদিল্লির কনট প্লেসে প্রস্তাবিত 'লেহরা দো তিরঙ্গা' কর্মসূচিতে যোগ দিতে রওনা হওয়ার আগেই ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। এর অংশ হিসেবেই দিনের শুরুতে ২০ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী ঝান্ডেওয়ালা এলাকায় অভিজিতের বাসভবনে উপস্থিত হন এবং তাঁকে আটক করার পাশাপাশি সরকারি নোটিস দেন।
পুলিশের এই আটকের মুখে আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ দীপকে। তিনি জানতে চান কোন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাঁকে আটকে রাখা হচ্ছে এবং তিনি নয়াদিল্লিতে প্রবেশ না করলেও অন্য কোথাও যেতে পারবেন কি না। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যায়, দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে মোট দুটি নোটিস দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে একটি জারি করা হয়েছে 'দিল্লি পুলিশ অ্যাক্ট'-এর অধীনে।
প্রথম নোটিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, রাজধানীতে বর্তমানে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৬৩ ধারা বলবৎ রয়েছে। ফলে সেন্ট্রাল পার্কে নির্ধারিত ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তাঁর যোগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া অপর নোটিসটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়, যা বিমানবন্দরের একটি পূর্ববর্তী প্রতিরোধমূলক হেফাজত মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
ওই মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী, অভিজিৎ দীপকেসহ সংশ্লিষ্টদের এক বছরের জন্য জনশৃঙ্খলা ও শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে এমন যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর জনসমাগম এড়াতে এই কঠোর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দিল্লি প্রশাসন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।