Abhishek Banerjee: ‘অনুমতি ছাড়াই নামফলক..,’ আদালতে অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়ির মালিকের!
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দমকলের নির্দেশে অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের দায়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের একাংশ (সপ্তম, অষ্টম তলা ও বেসমেন্ট) খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভা কর্তৃক ওই অফিসের দলীয় নামফলক খুলে নেওয়ার প্রতিবাদে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। তবে বাড়ির মালিক দাবি করেছেন, তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওই নামফলক লাগানো হয়েছিল। হাইকোর্টে অন্তর্বর্তী নির্দেশ না মেলায়, এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দমকলের নির্দেশ: অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ না থাকা এবং ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট পুনর্নবীকরণ না করায় ক্যামাক স্ট্রিটের ভবনের ৭ম ও ৮ম তলা (যেখানে অভিষেকের অফিস রয়েছে) এবং বেসমেন্ট খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দমকল দফতর।
- নামফলক বিতর্ক: কলকাতা পুরসভা আচমকাই ক্যামাক স্ট্রিট অফিসের নামফলক খুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। তারা নামফলকটি আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায়।
- সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল: হাইকোর্টে ভবনের মালিক দাবি করেন তাঁর অনুমতি ছাড়াই নামফলক লাগানো হয়েছিল। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ না দেওয়ায়, তৃণমূল এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে, যার শুনানি আগামী সোমবার হওয়ার কথা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ঘিরে বিতর্ক ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিগত কয়েকদিন ধরে হোর্ডিং এবং অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে সংবাদ শিরোনামে রয়েছে এই অফিস। এবার দমকলের নির্দেশের পাশাপাশি নামফলক সরানো নিয়ে আইনি লড়াই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে।
অগ্নি-নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশ: শুক্রবার ৯, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর সরণির (ক্যামাক স্ট্রিট) মূল ভবনের সপ্তম এবং অষ্টম তলার আংশিক অংশ এবং বেসমেন্ট খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দমকল বিভাগ। দমকলের অভিযোগ, বিল্ডিংটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ নয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট রিনিউ করা হয়নি। এর আগে নিয়ম না মানার অভিযোগে মালিকপক্ষ এবং ভাড়াটিয়াদের তলব করা হয়েছিল। ভাড়াটিয়ারা যথাসময়ে নথিপত্র নিয়ে হাজিরা দিলেও মালিকপক্ষ তলবে সাড়া দেয়নি। ফলে অবিলম্বে ওই অংশগুলি খালি করার জন্য বিল্ডিংয়ের মালিককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ভবনের সপ্তম ও অষ্টম তলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর রয়েছে।
নামফলক বিতর্ক ও আইনি লড়াই: এরই মাঝে ক্যামাক স্ট্রিটের দলীয় দফতর থেকে পুরসভার তরফে নামফলক খুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে পুরসভা এই কাজ করেছে এবং তাদের কোনো বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। নামফলকটি আগের জায়গায় লাগিয়ে দেওয়ার আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তারা।
তবে হাইকোর্টে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বাড়ির মালিক জানান যে, তাঁর কোনো প্রকার অনুমতি না নিয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরা ওই নামফলক লাগিয়েছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর সিঙ্গল বেঞ্চ এই বিষয়ে কলকাতা পুরসভাকে হলফনামা দিয়ে তাদের বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দেয়, তবে তৃণমূলের অনুকূলে কোনো অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি।
হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে কোনো অন্তর্বর্তী নির্দেশ না পাওয়ায়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমূল। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার তৃণমূলের দায়ের করা এই মামলাটি শীর্ষ আদালতে শোনা হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার News18 Bengali-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।