আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় অবস্থিত আদানি পাওয়ারের এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। আটশত মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটির সফল বাণিজ্যিক উৎপাদনের পর জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে। এর ফলে দেশের চলমান বিদ্যুৎ ঘাটতি হ্রাস ও লোডশেডিং পরিস্থিতি উন্নত হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় নির্মিত ১,৬০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট থেকেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালন শুরু হয়েছে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)-এর সাথে সম্পাদিত ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় ডেডিকেটেড ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পৌঁছাচ্ছে।
- দুটি ইউনিট পুরোপুরি উৎপাদনে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ১,৪৫০ থেকে ১,৫০০ মেগাওয়াট নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ যুক্ত হয়ে বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে ভূমিকা রাখবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় অবস্থিত আদানি পাওয়ারের এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার পর সফলভাবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হতে শুরু করে। এর আগে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক ও পরবর্তীতে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়েছিল।
২০১৭ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাথে স্বাক্ষরিত ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) অংশ হিসেবে আদানি পাওয়ার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্রকল্পটি থেকে শতভাগ বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানির লক্ষ্যে নির্মিত হয় ডেডিকেটেড ৪০০ কেভি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন আন্তঃদেশীয় সঞ্চালন লাইন, যা ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোহনপুর দিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হয়েছে। কেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের সার্বিক কার্যক্রম সন্তোষজনক এবং চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হচ্ছে। গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই কেন্দ্রের পুরো উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এতে গ্রিডের লোডশেডিং চাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা এই বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ সরবরাহ দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিয়মিত পরিচালনা ও সাশ্রয়ী কয়লা ব্যবহারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় উৎপাদন ও শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।