রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে শীতের আগাম সবজি আসা শুরু হলেও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি মেলেনি। পর্যাপ্ত সরবরাহ সত্ত্বেও শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মূলোর মতো নতুন সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি শিম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের বাজেটে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজধানীর বাজারে শীতের আগাম সবজি হিসেবে আসা শিম প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
- প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় এবং প্রতি কেজি করলা ও পটল ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় ক্রেতাদের পকেট কাটছে।
- পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও খুচরা পর্যায়ে অতিরিক্ত মুনাফা করার কারণে সবজির চড়া দাম কমছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে শীতকালীন আগাম সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ লক্ষ্য করা গেলেও সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি মিলছে না। বাজারে শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও গাজরের মতো নতুন সবজির উপস্থিতি বাড়লেও দাম এখনও চড়া রয়েছে। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বেশি। এছাড়া পাকা টমেটো প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা এবং গাজর ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, কার্তিক মাসের এই সময়ে পুরোপুরি শীতের সবজি না আসলেও নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও মানিকগঞ্জসহ আশেপাশের জেলাগুলো থেকে আগাম কিছু সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে নতুন ফসলের উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় পাইকারি বাজার থেকেই চড়া দামে সবজি কিনতে হচ্ছে তাদের। ফলে খুচরা পর্যায়ে এসে তার প্রভাব পড়ছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।
বাজার করতে আসা ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, শীতের সবজি বাজারে এলে সাধারণত দাম কিছুটা কমে যাওয়ার কথা থাকলেও এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষেরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি আড়তে মালের দাম বেশি থাকায় তারা কম দামে বিক্রি করতে পারছেন না।
কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে পাইকারি ও খুচরা মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক তৈরি হচ্ছে। শীতের পূর্ণাঙ্গ ফসল বাজারে না আসা পর্যন্ত দামের এই চড়া ভাব অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সরকারিভাবে বাজার তদারকি জোরদার করা হলে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।