৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে একমাত্র দ্বিপাক্ষিক টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ সেশনে দুটি রান আউট ও একটি ক্যাচ মিসের সুযোগে ম্যাচ ড্র করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সেদিকুল্লাহ আতালের ১১১ রানের সুবাদে শেষ দিনে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তোলে আফগানরা। দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ম্যাচসেরা হন লিটন দাস।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় বাংলাদেশ, যা তাড়া করতে নেমে আফগানরা শেষ দিনে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তুলে ম্যাচ ড্র করে।
- আফগান ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ৩৩২ বল খেলে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৭১ রান করে দেশটির টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে প্রথম সেঞ্চুরির অনন্য কীর্তি গড়েন।
- ম্যাচের শেষ সেশনে টাইগার ফিল্ডারদের দুটি রান আউট মিস ও একটি সহজ ক্যাচ ফেলার খেসারতে জয় হাতছাড়া হয়, যেখানে ৮০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ বাঁচান কাইস আহমাদ।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত একমাত্র দ্বিপাক্ষিক টেস্টে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান সংগ্রহ করে, জবাবে আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হয়। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলে আফগানিস্তানের সামনে পাহাড়সম ৪৭৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। চতুর্থ দিন শেষে আফগানদের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৩২ রান।
ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিনে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৪৭ রান এবং বাংলাদেশের দরকার ছিল ৭ উইকেট। দিনের শুরুতে আঘাত হানলেও আফগান ব্যাটারদের দৃঢ়তায় ম্যাচ জমে ওঠে। ব্যক্তিগত ১৯ রানে অধিনায়ক হাসমতুল্লাহ শাহিদি আহত অবসর নিলেও সেদিকুল্লাহ আতাল ও ইকরাম আলিখিল দলের হাল ধরেন। ইকরামকে ২০২ রানে এবাদত হোসেন ফিরিয়ে দিলেও ওপেনার আতাল ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান। এটি ছিল আফগানিস্তানের টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে প্রথম কোনো সেঞ্চুরি।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেটের পতন ঘটিয়ে আফগানদের পরাজয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ২৮১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসা আফগানদের বিপক্ষে জয়ের জন্য শেষ ২৩ ওভারে ৩ উইকেট প্রয়োজন ছিল টাইগারদের। কিন্তু এই বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ফিল্ডিংয়ের চরম ব্যর্থতা দেখা দেয়। ১২২তম ওভারে পরপর দুটি রান আউটের সুযোগ হাতছাড়ার পর ১৩১তম ওভারে মেহেদি হাসান মিরাজের বলে ডিপ মিড উইকেটে কাইস আহমাদের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন হাসান মাহমুদ। জীবন পেয়ে কাইস আহমাদ ও ইয়ামিন আহমাদজাই ম্যাচ ড্র করার পথে বড় ভূমিকা রাখেন।
শেষ পর্যন্ত ১৪২ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তুলে দিন শেষ করে আফগানিস্তান। ৮০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ বাঁচান কাইস আহমাদ। বাংলাদেশের পক্ষে এবাদত হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। চমৎকার ব্যাটিংয়ের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন বাংলাদেশি ব্যাটার লিটন দাস। বাংলাদেশ-আফগানিস্তান দ্বিপাক্ষিক টেস্ট ইতিহাসে এটিই প্রথম ড্রয়ের রেকর্ড।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Corporate Sangbad-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।