বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রাক্কলনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে সামগ্রিক পণ্যের দাম প্রায় ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম ৩২ শতাংশ এবং খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম সার্বিকভাবে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, আসন্ন এই মূল্যবৃদ্ধিতে জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ এবং প্রধান খাদ্যপণ্যগুলোর দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
- জ্বালানি ও খাদ্যদ্রব্যের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিশ্বব্যাপী মারাত্মক খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদরা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে সার্বিক পণ্যের দাম প্রায় ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সংস্থাটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং উৎপাদনের উচ্চ ব্যয়ের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার আরও বেশি অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে পারে জ্বালানি খাত থেকে। বছরের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়ে খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে।
অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা মনে করছেন, জ্বালানি ও খাদ্যের এই দ্বিমুখী মূল্যবৃদ্ধি কেবল মুদ্রাস্ফীতিকেই উসকে দেবে না, বরং উন্নয়নশীল ও নিম্নআয়ের দেশগুলোতে তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও মানবিক সংকট ডেকে আনতে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রাখতে বাধ্য হতে পারে।
সার্বিকভাবে এই পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে শ্লথ করে দিতে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং বিকল্প সরবরাহ লাইন নিশ্চিত করার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।