৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও মার্কিন ফেডের আসন্ন সুদের হার বৈঠকের উদ্বেগে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমেছে। স্পট মার্কেটে সোনার দাম শূন্য দশমিক চার শতাংশ কমে প্রতি আউন্স চার হাজার ১২৩ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ডিসেম্বরের ফিউচার মূল্য শূন্য দশমিক চার শতাংশ কমে চার হাজার ১৪২ দশমিক ৭০ ডলারে নেমেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,১২৩.৯৪ ডলারে নেমেছে এবং ডিসেম্বরের ফিউচার মূল্য ৪,১৪২.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
- ইয়েমেনের হুথিদের সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা ও বিমানসংক্রান্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পর তেলের দাম পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ কাছাকাছি পৌঁছেছে।
- আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির নতুন উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে মূল্যবান ধাতু সোনার বাজারে। গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট মার্কেটে সোনার দাম শূন্য দশমিক চার শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স চার হাজার ১২৩ দশমিক ৯৪ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত সোনার ফিউচার মূল্য শূন্য দশমিক চার শতাংশ কমে প্রতি আউন্স চার হাজার ১৪২ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারের ওপর। সম্প্রতি ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দর ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক হামলার দাবি জানানোর পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ স্তরের কাছাকাছি চলে যায়। জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি আরও ত্বরান্বিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের আগামী সপ্তাহের সুদের হারসংক্রান্ত নীতির দিকে গভীর নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডের নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারের বিনিয়োগকারীরা এখনো ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৯১ শতাংশ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ ধরা হলেও, সুদের হার দীর্ঘ সময় বেশি থাকলে সোনার আকর্ষণ হ্রাস পায়। সুদ পাওয়া যায় না এমন সম্পদ হিসেবে সোনা ধরে রাখলে বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য সুদ আয় হাতছাড়া হয়, যা বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সোনার দাম হ্রাসের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার karatoa.com.bd-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।