৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন চলাকালে বিতর্কিত ঋণ ও নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় কর্মী ও অধিকারকর্মীরা। সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা উন্নয়নশীল দেশের কর্মসংস্থান সংকট মোকাবিলায় ব্যয়বহুল বড় এআইয়ের পরিবর্তে সহজলভ্য 'স্মল এআই' ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ দেওয়ার ঘোষণা দেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা উন্নয়নশীল দেশের জন্য ব্যয়বহুল মডেলের বদলে ব্যবহারিক ও সহজলভ্য 'স্মল এআই' ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন, যা কৃষক ও শিক্ষকদের সহায়তা করবে।
- আফ্রিকার ৩০ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে 'মিশন ৩০০' কর্মসূচির মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্য পূরণে কাজ চলছে, যার আওতায় ইতিমধ্যে ৫ কোটি ৯০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছেন।
- দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন বাড়াতে বিশ্বব্যাংক অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর সঙ্গে মিলে নতুন অর্থায়নব্যবস্থা ও সম্পদশ্রেণি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনকে ঘিরে ঋণ ও অর্থনৈতিক নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। সম্মেলন চলাকালে বিভিন্ন দেশের নাগরিক সমাজ ও অধিকারকর্মীরা অংশ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন শর্তযুক্ত ঋণ বাতিলের দাবি জানান। বৈশ্বিক এই অর্থনৈতিক সমাবেশে সংস্থার প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা উন্নয়নশীল দেশগুলোর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর নতুন কর্মসংস্থান কৌশলের রূপরেখা তুলে ধরেন।
সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের নতুন কর্মসংস্থান কৌশলে ভৌত ও মানব অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগের জন্য পূর্বাভাসযোগ্য নীতি এবং উৎপাদনশীল খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। ব্যাংক মনে করে, কেবল ঋণ দিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কর্মসংস্থান সংকট সমাধান সম্ভব নয়; এর জন্য এমন অর্থনৈতিক পরিবেশ দরকার যেখানে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে বড় মডেলের পাশাপাশি 'স্মল এআই' বা ছোট ও সহজলভ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি ও শিক্ষায় বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ দেওয়া হয়।
উন্নয়নমূলক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক লক্ষ্যের অগ্রগতি তুলে ধরে বিশ্বব্যাংক জানায়, 'মিশন ৩০০' কর্মসূচির আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে আফ্রিকার ৩০ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ৫ কোটি ৯০ লাখ মানুষ এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। এছাড়া পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ৪০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা এবং 'অ্যাগ্রিকানেক্ট' কর্মসূচির মাধ্যমে ৮ কোটি ২০ লাখ ক্ষুদ্র কৃষককে সহায়তা প্রদানের পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছে।
ব্রেটন উডস সম্মেলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে অজয় বাঙ্গা বলেন, বৈশ্বিক সমৃদ্ধি কোনো একক দেশের অর্জন নয়, এর সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে হবে। সরকারি অর্থায়ন ও বেসরকারি মূলধনকে সমন্বিত করে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে কর্মবাজারে প্রবেশকারী বিপুল তরুণের জন্য স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।