৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"শারদীয় দুর্গোৎসবের ষষ্ঠীতে কলকাতার বাজারে স্বর্ণের দামে সামান্য বৃদ্ধি ঘটেছে। স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির ১৬ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রামের বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৩,৮৬৫ টাকা এবং ২৪ ক্যারেটের ফাইন গোল্ডের দাম ১৪,৫৯৪ টাকা। এছাড়া, এক কেজি রুপোর বার বিক্রি হচ্ছে ২,১৪,০৭৭ টাকায়। ক্রেতাদের বাজেটে গয়না কিনতে অতিরিক্ত জিএসটি ও মজুরি খরচ মাথায় রাখতে হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর ২২ ক্যারেট সোনার বিক্রয়মূল্য প্রতি গ্রাম ১৩,৮৬৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্য ১৩,২৮০ টাকায় পৌঁছেছে।
- ২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধতার ফাইন গোল্ডের প্রতি গ্রামের দাম ৫২ টাকা বেড়ে ১৪,৫৯৪ টাকা হয়েছে, যা আগের দিন ছিল ১৪,৫৪২ টাকা।
- এক কেজি ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর বারের দাম একদিনে ৩,৭৬৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২,১৪,০৭৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দুর্গাপুজোর আনন্দের মাঝেই কলকাতার বাজারে সোনা ও রুপোর দামে নতুন পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার প্রকাশিত স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির দর অনুযায়ী, উৎসবের আবহে সোনার পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে রুপোর বাজারদরও। প্যান্ডেল হপিং ও কেনাকাটার ব্যস্ততার মাঝে এই মূল্যবৃদ্ধি ক্রেতাদের পকেটে কিছুটা হলেও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির সূচক অনুসারে, ২৪ ক্যারেট বা ৯৯৫ বিশুদ্ধতার ফাইন গোল্ডের দাম প্রতি গ্রামে ৫২ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৪,৫৯৪ টাকা, যা আগের দিন ছিল ১৪,৫৪২ টাকা। অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ২২ ক্যারেট বা ৯১৬ বিশুদ্ধতার সোনার প্রতি গ্রামের বিক্রয়মূল্য ৫০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩,৮৬৫ টাকায় এবং এর ক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৩,২৮০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৪৫ টাকা বেড়ে ১১,৩৮৫ টাকায় পৌঁছেছে।
শুধু সোনা নয়, রুপোর বাজারেও বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৯৯৯ বিশুদ্ধতার এক কেজি রুপোর বারের দাম ৩,৭৬৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২,১৪,০৭৭ টাকায় বিকোচ্ছে, যা আগের দিন ছিল ২,১০,৩১০ টাকা। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, উৎসবের মরসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণেই মূলত এই দর পরিবর্তন ঘটেছে।
তবে এই দামের সঙ্গে ৩ শতাংশ জিএসটি এবং গয়নার নকশা অনুযায়ী মজুরি খরচ যুক্ত থাকে না। ফলে পাকা সোনা বা রুপো ক্রয়ের সময় ক্রেতাদের চূড়ান্ত বিল আরও কিছুটা বেশি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বাজেট করার আগে সঠিক বিশুদ্ধতা যাচাই এবং অতিরিক্ত খরচ হিসাব করে তবেই দোকানে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।