৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রাখতে বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণগ্রস্ত দুই প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ ও শাইনপুকুর সিরামিকসের জন্য ঋণ বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল সোমবার জারি করা পৃথক সার্কুলারে ন্যাশনাল ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক থেকে যথাক্রমে শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খোলা এবং ১০৫ কোটি টাকার চলতি মূলধন নবায়নের এই সুবিধা ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল রাখা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ ব্যাংক গত সোমবার দুটি পৃথক সার্কুলার জারি করে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ ও শাইনপুকুর সিরামিকসের জন্য ঋণ বিধিনিষেধ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিথিল করেছে।
- বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ ঋণগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও ন্যাশনাল ব্যাংকে শতভাগ নগদ মার্জিনে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে পারবে এবং চলতি মূলধনের অর্থায়ন সুবিধা পাবে।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের ঋণগ্রস্ত শাইনপুকুর সিরামিকস তাদের বিদ্যমান ১০৫ কোটি টাকার চলতি মূলধন সীমা নবায়নের এই বিশেষ সুযোগ লাভ করেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি ঋণগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ঋণ সংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক গত সোমবার এই বিষয়ে দুটি পৃথক সার্কুলার জারি করে, যার মাধ্যমে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ এবং শাইনপুকুর সিরামিকসকে বিশেষ আর্থিক ছাড় প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আইনি সুযোগ পেল।
সাধারণত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো ঋণগ্রস্ত বা খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে নতুন কোনো আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ ও শাইনপুকুর সিরামিকসের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিধিনিষেধ থেকে বিশেষ ছাড় দিয়েছে। এই সুবিধার আওতায় বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খোলার অনুমতি পেয়েছে। অন্যদিকে, সোনালী ব্যাংকের ঋণগ্রস্ত শাইনপুকুর সিরামিকস তাদের ১০৫ কোটি টাকার বিদ্যমান চলতি মূলধন ঋণ সীমা নবায়ন করতে পারবে। এই বিশেষ শিথিলতা আগামী ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই ঋণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর শর্ত প্রতিপালন করতে হবে। নতুন এসব ঋণের কোনো দায়ভার সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক বহন করবে না এবং এ বিষয়ে ব্যাংকগুলো পরবর্তীতে কোনো আর্থিক সহায়তার দাবি জানাতে পারবে না। এছাড়া, এলপিজি ইউনিট-১-এর আয়ের শতভাগ একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে জমা রেখে সেখান থেকে আনুপাতিক হারে ন্যাশনাল ব্যাংকের নিয়মিত পাওনা পরিশোধ করতে হবে। একই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলামূলক শর্ত শাইনপুকুর সিরামিকসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপে বেক্সিমকোর প্রতিষ্ঠান দুটির উৎপাদনমুখী কার্যক্রম সচল থাকবে, যা সামগ্রিক সরবরাহ链 ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং খেলাপি ঋণের ঝুঁকি কমাতে ব্যাংকগুলোকে কঠোর শর্তের আওতায় এই ছাড়ের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দ্য ডেইলি স্টার বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।