৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কলকাতায় স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সোনার দামে সামান্য পতন ঘটেছে। ২২ ক্যারাট সোনা প্রতি গ্রামে ৪৫ টাকা কমে ১৪,০৩০ টাকা এবং ১৮ ক্যারাট সোনা প্রতি গ্রামে ৩৫ টাকা কমে ১১,৫২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, ৯৯৯ বিশুদ্ধতার এক কেজি রুপোর দাম ১,৭৫৬ টাকা কমে ২,২২,০৮৭ টাকায় নেমেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ২২ ক্যারাট সোনার বিক্রির দর প্রতি গ্রামে ৪৫ টাকা কমে ১৪,০৩০ টাকা হয়েছে, যা আগের দিন ছিল ১৪,০৭৫ টাকা।
- ১৮ ক্যারাট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৩৫ টাকা হ্রাস পেয়ে ১১,৫২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা গতকাল ছিল ১১,৫৫৫ টাকা।
- ৯৯৯ বিশুদ্ধতার এক কেজি রুপোর দাম ১,৭৫৬ টাকা কমে ২,২২,০৮৭ টাকায় নেমেছে, যা ১২ অক্টোবর ছিল ২,২৩,৮৪৩ টাকা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে কলকাতার সোনার বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলছে ক্রেতাদের জন্য। স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির (SSBC) প্রকাশিত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবারের বাজারদর অনুযায়ী, কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারাট ও ১৮ ক্যারাট সোনার দামের পাশাপাশি কমেছে ফাইন গোল্ড ও রুপোর দামও। উৎসবের মরশুমে গয়না কেনার পরিকল্পনা করা ক্রেতাদের জন্য এই মূল্যপতন কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ২২ ক্যারাট সোনার বিক্রির দর প্রতি গ্রামে ১৪,০৩০ টাকা ধার্য করা হয়েছে, যা আগের দিন অর্থাৎ ১২ অক্টোবর ছিল ১৪,০৭৫ টাকা। অর্থাৎ, এক দিনে প্রতি গ্রামে ৪৫ টাকা কমেছে। সেই হিসেবে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনা কিনতে আগের দিনের তুলনায় ৪৫০ টাকা কম খরচ পড়বে। এছাড়া, ১৮ ক্যারাট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৩৫ টাকা কমে ১১,৫২০ টাকা এবং ৯৯৫ বিশুদ্ধতার ফাইন গোল্ড প্রতি গ্রামে ৪৬ টাকা কমে ১৪,৭৭০ টাকায় নেমেছে।
শুধু সোনা নয়, ধাতু বাজারের পতন দেখা গেছে রুপোর ক্ষেত্রেও। ১২ অক্টোবর ৯৯৯ বিশুদ্ধতার এক কেজি রুপোর দাম যেখানে ছিল ২,২৩,৮৪৩ টাকা, সেখানে ১৩ অক্টোবর তা ১,৭৫৬ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২,২২,০৮৭ টাকায়। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, প্রকাশিত এই দামগুলির সঙ্গে ৩ শতাংশ জিএসটি এবং গয়নার মজুরি বা অন্যান্য চার্জ যুক্ত থাকে না। তাই চূড়ান্ত ক্রয়ের সময় স্থানীয় দোকানের নির্ধারিত নিয়ম ও খরচ হিসাব করেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
পুজো ও বিয়ের মরশুমের আগে এই মূল্যপতন মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের সোনা কেনার ঝোঁক কিছুটা বাড়াতে পারে। গয়না ব্যবসায়ী মহলের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই স্থানীয় বাজারে এই দামের ওঠানামা হচ্ছে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটি নিয়মিত এই দর প্রকাশ করে থাকে, যা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। তবে গয়না বিক্রির সময় কেনার দর এবং বিক্রির দরের মধ্যে পার্থক্য থাকায় তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।