চীন-বাংলাদেশের একাডেমিক সম্পর্ক হাজার বছরের, এগিয়ে নিতে হবে আরও দূর: ব্র্যাক ভিসি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত 'চায়না কালচার ডে'-তে চীন ও বাংলাদেশের হাজার বছরের একাডেমিক সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভিসি। 'ব্রিজিং বিয়ন্ড ড্রিমস' প্রতিপাদ্যের এই অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাও ফেং এবং লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ওপর জোর দেন। আয়োজনে চীনা ক্যালিগ্রাফি ও স্কলারশিপ নিয়েও আলোচনা হয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে 'চায়না কালচার ডে' আয়োজিত হয়, যেখানে দুই দেশের হাজার বছরের ঐতিহাসিক, একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন তুলে ধরা হয়।
- অনুষ্ঠানে লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ জানান, চীনা ভাষা শেখা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে।
- সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ঐতিহ্যবাহী চীনা ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শন এবং চীনে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের সুযোগ নিয়ে বিশেষ প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো 'চায়না কালচার ডে' বা চীনা সংস্কৃতি দিবস। 'ব্রিজিং বিয়ন্ড ড্রিমস' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) তাঁর বক্তব্যে বলেন, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার একাডেমিক সম্পর্ক হাজার বছরের পুরনো। দুই দেশের এই ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও বহুদূর এগিয়ে নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর লি শাও ফেং উপস্থিত ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো উভয় দেশের জনগণের মধ্যকার গভীর বন্ধন। অন্যদিকে, লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, চীনা ভাষা শেখা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক শিক্ষার নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে। তিনি চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে রঙিন পোশাক, ছন্দময় বাদ্যযন্ত্র এবং ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনার মাধ্যমে চীনের লোকজ সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। চীনা গান এবং দুই দেশের পতাকা প্রদর্শনের মাধ্যমে সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা ক্যালিগ্রাফি শেখা ও প্রদর্শনের বিশেষ সুযোগ ছিল, যেখানে তারা চীনা অক্ষরের নান্দনিকতা সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারেন। শুধু সাংস্কৃতিক পরিবেশনাই নয়, চীনে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের সুযোগ নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিকভাবে এই আয়োজনটি দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার 国际在线-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।