লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ
বিজ্ঞাপন

চুয়েটের সদস্যদের ছাড়াই উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভা

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 16 অক্টোবর 2026, 04:08 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 51 বার পঠিত
চুয়েটের সদস্যদের ছাড়াই উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক ও সদস্যদের অনুপস্থিত রেখেই অনলাইনে ২০৫তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ফিরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন এই জরুরি সভা আহ্বান করেন। এদিকে চুয়েটে চলমান ছাত্র আন্দোলন ও ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি আজ ২৩তম দিনে গড়িয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি করেছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন হাসপাতাল থেকে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নির্ধারিত সদস্যদের অনুপস্থিত রেখে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা সম্পন্ন করেন।
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনির্দিষ্টকালের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি আজ ২৩তম দিনে এসেও অব্যাহত রয়েছে।
  • উপাচার্যের পদত্যাগের গুঞ্জন উঠলেও তিনি তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান তীব্র সংকটের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনলাইনে একটি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও অন্যান্য নির্ধারিত সদস্য বা প্রতিনিধিরা অংশ নেননি। মূলত অনুপস্থিত সদস্যদের রেখেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সভাটি সম্পন্ন করা হয়, যা চুয়েট অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা ছাত্র আন্দোলন এবং ক্যাম্পাসে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের কারণে চুয়েটে গত ২৩ দিন ধরে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর আগে অসুস্থতাজনিত কারণে উপাচার্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে সরাসরি কর্মস্থলে ফিরে বা যুক্ত হয়েই তিনি এই সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দাবিগুলো মেনে না নেওয়ায় এবং ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকসহ প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল।

এদিকে গুঞ্জন উঠেছিল যে উপাচার্য পদত্যাগ করতে পারেন, তবে তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে এই খবর সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে সচল রাখতে এবং অচলাবস্থা নিরসনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন জরুরি ছিল। অন্যদিকে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের বর্জন সত্ত্বেও অনলাইনে সভা করার সিদ্ধান্ত চুয়েটের অভ্যন্তরীণ সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি এমন অচলাবস্থা গবেষণার মান ও শিক্ষার্থীদের সেশনজটের ক্ষেত্রে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে উপাচার্য ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দূরত্ব কমিয়ে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে না আনলে বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে চুয়েট।

বিজ্ঞাপন ও বিশেষ খবর
স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ