৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কংগ্রেসের সুপ্রিম কোর্টমুখী প্রোটেস্ট মার্চ ও নিরাপত্তার অজুহাতে সোমবার দিল্লির ৬টি মেট্রো স্টেশন ভোর ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও প্যাটেল চকসহ স্টেশনের গেটগুলো অবরুদ্ধ রয়েছে। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট সিজেপি-র বিক্ষোভ মামলায় কেন্দ্রকে শান্তিপূর্ণ জমায়েতে বাধা না দেওয়ার নির্দেশ দেয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্যাটেল চক, জনপথ, রাজীব চক, মান্ডি হাউজ, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং বড়খাম্বা রোড স্টেশন সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
- কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত একটি বিশাল 'প্রোটেস্ট মার্চ'-এর ডাক দেওয়ার পরই রাজধানীজুড়ে এই কড়া নিরাপত্তা ও রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এর আগে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ ১৬৩ ধারা না থাকা এলাকায় শান্তিপূর্ণ জমায়েতে বাধা না দিতে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কংগ্রেসের পূর্বঘোষিত সুপ্রিম কোর্টমুখী 'প্রোটেস্ট মার্চ' এবং সার্বিক নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে রাজধানী দিল্লিতে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার ভোর ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিল্লির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোট ৬টি মেট্রো স্টেশনের ঢোকা ও বের হওয়ার দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের (ডিএমআরসি) পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনবহুল ও সংবেদনশীল এই রুটগুলোতে জনস্রোত নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর তালিকায় রয়েছে প্যাটেল চক, জনপথ, রাজীব চক, মান্ডি হাউজ, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং বড়খাম্বা রোড। শুধু মেট্রো স্টেশনই নয়, দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিক ট্রাফিক অ্যাডভাইজারি জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে করা হয়েছে 'নো এন্ট্রি', যার ফলে সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের যাতায়াতে ব্যাপক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। রাজপথসহ বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, গত শনিবার সিজেপি-র বিক্ষোভ কেন্দ্র করে দিল্লির প্রায় ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং কঠোর কড়াকড়ির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া মামলা দায়ের হয়। ওই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ কেন্দ্র সরকারকে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় যে, যেসব এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি নেই, সেখানে অবৈধভাবে কাউকে আটক বা শান্তিপূর্ণ জমায়েতে বাধা দেওয়া যাবে না। এমনকি এই বিষয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন্দ্রকে নোটিস পাঠিয়ে মঙ্গলবার মঙ্গলবারের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছে।
আদালতের এমন কঠোর নির্দেশ সত্ত্বেও সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা এবং রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করতেই প্রশাসন বিচার বিভাগের নির্দেশকে এড়িয়ে গিয়ে এই ধরনের স্বৈরাচারী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা রাজধানীর জনজীবনকে পঙ্গু করে দিচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।