লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের ইলিশ চান ভারতের ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 10 সেপ্টেম্বর 2026, 11:11 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 89 বার পঠিত
দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের ইলিশ চান ভারতের ব্যবসায়ীরা
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশের ১৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। গত কয়েক বছর ধরে পূজার উপহার হিসেবে বিশেষ কোটায় ইলিশ রপ্তানি হলেও, এবার দেশের বাজারে ইলিশের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকার এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • বাংলাদেশের ১৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভারতে ইলিশ পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে।
  • গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল, যার বিপরীতে এবার দেশীয় বাজারে ইলিশের কেজি প্রতি দাম ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকায় ওঠানামা করছে।
  • মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রপ্তানির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে ভারতের বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানির বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। দেশের ১৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়ে অনুরোধ করেছে যেন গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বিশেষ কোটায় ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। মূলত পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে পূজার সময় বাংলাদেশের ইলিশের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা এই রপ্তানির সুযোগ চেয়েছেন।

গত কয়েক বছর ধরে সরকার পূজার উপহার হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়ে আসছিল। ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে দেশের বাজারে ইলিশের সরবরাহ তুলনামূলক কম এবং দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে থাকায় রপ্তানি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজার স্থিতিশীল রাখার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার এবার বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইলিশের প্রজনন মৌসুম ও জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ইলিশের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত না করে রপ্তানি করলে দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা রপ্তানিকারকদের আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করছে এবং দেশের মানুষের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই রপ্তানি প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একদিকে প্রতিবেশী দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, অন্যদিকে দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ইলিশের দাম রাখা—এই দুইয়ের ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত অবস্থান পরিষ্কার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ