এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে যাওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকা-জামালপুর রুটের 'রাজ ক্লাসিক' বাসের চালক সোহেল রানা, সহকারী মনির এবং সুপারভাইজার সাজু। জানা যায়, জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ফেরার পথে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের পর র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বাসচালক, সুপারভাইজার ও সহকারীকে মহাখালী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- নিহত ইসমাইল হোসেন জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুর যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বাসের স্টাফরা তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করে টাকা ছিনিয়ে নেয়।
- সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত 'রাজ ক্লাসিক' বাসটি জব্দ করে আসামিদের বনানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ ফেলে যাওয়ার ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। শনিবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন—ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী বাসের চালক সোহেল রানা (৪০), সহকারী মনির (১৮) ও সুপারভাইজার সাজু (২৮)। তাদের মধ্যে চালক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১।
র্যাব-১-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার থেকে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তাঁর নাম ইসমাইল হোসেন, তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
র্যাব জানায়, ইসমাইল জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার পরপরই জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসের সুপারভাইজার সাজু ও সহকারী মনিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত 'রাজ ক্লাসিক' বাসটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবে বলে জানানো হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।