ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগে এবং মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাকে দ্রুত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (পঙ্গু হাসপাতাল) অথবা বিশেষায়িত আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় তার মাথায় ও পায়ে মারাত্মক আঘাত লাগে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় স্থানান্তর করে।
- দুর্ঘটনার পর প্রথমে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি ঘটলে মেডিকেল বোর্ড ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
- আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ব্যয় ও সামগ্রিক সহায়তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, যার তদারকি করছেন প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ক্যাম্পাসে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ত্বরিত পদক্ষেপে এই সংকটাপন্ন শিক্ষার্থীকে জরুরি ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসের ভেতরের সড়কে বেপরোয়া গতিতে চলা একটি ট্রাকের ধাক্কায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।
এর আগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। তবে তার মাথায় রক্তক্ষরণ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতের কারণে স্থানীয় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থীর অবস্থার অবনতি হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।
উপাচার্য ও প্রক্টরিয়াল বডির সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সমস্ত খরচ প্রশাসন বহন করবে এবং দোষী চালককে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন এবং পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা দেশের উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরে সড়ক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দীর্ঘদিনের নাজুক অবস্থাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে স্থায়ী গতিরোধক স্থাপন, ভারী যান চলাচল নিষিদ্ধ করা এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের পাশাপাশি প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।