লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

Gold Loan: সোনার বিস্কুট জমা রাখলে কেন লোন দেয় না ব্যাঙ্ক? আসল কারণ জানুন

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 20 অক্টোবর 2026, 01:03 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 18 বার পঠিত
Gold Loan: সোনার বিস্কুট জমা রাখলে কেন লোন দেয় না ব্যাঙ্ক? আসল কারণ জানুন
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

ভারতের ব্যাঙ্ক ও নন-ব্যাঙ্কিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত সোনার গয়না বন্ধক রেখে সহজেই লোন দিলেও সোনার বিস্কুট বা বারের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম বজায় রাখে। খাঁটি সোনা হওয়া সত্ত্বেও মালিকানার সঠিক প্রমাণ, জালিয়াতি রোধ, ক্রয়ের বৈধ বিল এবং নিজস্ব কড়া পলিসির কারণে অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিস্কুট জামানত হিসেবে গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • সোনার বিস্কুট বা বার খুব সহজে হাতবদল হওয়ায় কেনার সঠিক বিল এবং বিক্রেতার তথ্য না থাকলে ব্যাঙ্কগুলো জালিয়াতির আশঙ্কায় লোন দিতে চায় না।
  • রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)-এর নির্দিষ্ট নীতিমালা এবং প্রতিটি ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরীণ পলিসির ওপর নির্ভর করে বিস্কুট বন্ধক নেওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হয়।
  • লোন দেওয়ার সময় ব্যাঙ্কগুলো গয়নার মেকিং চার্জ বা ডিজাইনের দাম বাদ দিয়ে শুধুমাত্র খাঁটি সোনার ওজন ও বিশুদ্ধতার ওপর ভিত্তি করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক এবং নন-ব্যাঙ্কিং ফিন্যান্স কোম্পানিগুলো (NBFC) গ্রাহকদের জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে সোনার গয়না বন্ধক রেখে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে লোন প্রদান করে থাকে। আংটি, চেইন কিংবা চুড়ির মতো প্রচলিত গয়নার ক্ষেত্রে ওজন ও খাঁটিত্ব যাচাইয়ের সুনির্দিষ্ট ও সহজ পদ্ধতি থাকায় সাধারণ মানুষ খুব সহজেই এই ঋণ সুবিধা পেয়ে যান। কিন্তু সোনার বিস্কুট বা বারের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ আলাদা। বিস্কুটের সোনা অধিক খাঁটি হওয়া সত্ত্বেও বেশিরভাগ ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান একে জামানত হিসেবে রাখতে চায় না, যার ফলে গ্রাহকদের অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

সোনার বিস্কুটের ওপর লোন না দেওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে মালিকানার প্রমাণ ও জালিয়াতি রোধ। গয়না সাধারণত পারিবারিক প্রয়োজনে কেনা হয় এবং এর পেছনে নানাবিধ আবেগ ও ব্যবহারের প্রমাণ থাকে, কিন্তু সোনার বিস্কুট কোথা থেকে সংগৃহীত, তার আসল ক্যাশ মেমো বা বিক্রয় রসিদ আছে কি না, তা ব্যাঙ্ককে কঠোরভাবে যাচাই করতে হয়। এছাড়া বিস্কুট বা বার অতি সহজেই হাতবদল করা সম্ভব হওয়ায় ভুয়া বা চোরাই সোনা জমা দেওয়ার ঝুঁকি থাকে। শুধু বাহ্যিক হলমার্ক দেখে বিস্কুটের অভ্যন্তরীণ খাঁটিত্ব শতভাগ নিশ্চিত করা যায় না বলে ব্যাঙ্কগুলোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ এতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে।

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)-এর নিয়ম অনুযায়ী গোল্ড লোনের ক্ষেত্রে সোনার দাম নির্ধারণ, বিশুদ্ধতা যাচাই এবং গ্রাহকের কেওয়াইসি (KYC) মান্য করা বাধ্যতামূলক। তবে আরবিআই বিস্কুটের ওপর লোন দেওয়ায় সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা না দিলেও, বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোর নিজস্ব ঋণ নীতি বা পলিসি অনেক সময় বিস্কুট গ্রহণ করার অনুমতি দেয় না। কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওজনের সোনার কয়েনের ওপর লোন মিললেও, বার বা বিস্কুটের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের কাউন্টারে সরাসরি না করে দেওয়াটাই দস্তুর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তাই আপনি যদি সোনার বিস্কুট বা বার বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে আবেদন করার আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে নেওয়া উচিত। ক্রয়ের আসল ক্যাশ মেমো, বিক্রেতার তথ্য এবং প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রস্তুত রাখা সত্ত্বেও যদি ব্যাঙ্ক রাজি না হয়, তবে বিকল্প হিসেবে সোনার গয়না বন্ধক রাখার কথা ভাবতে পারেন। লোন নেওয়ার পূর্বে সর্বদা সুদের হার, প্রসেসিং ফি এবং বকেয়া পরিশোধের শর্তাবলি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া আর্থিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ