ইউরোপের তিন দেশ ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে বিভিন্ন মেয়াদে অনিয়মিতভাবে বসবাস করায় মোট ৩৫ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে এই বিশেষ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ইউরোপের তিন দেশ ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশিকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
- বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এবং দেশগুলোতে অনিয়মিতভাবে অবস্থান করার দায়ে সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে এই প্রত্যাবাসন ঘটে।
- হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রত্যাবাসনকৃত এসব নাগরিককে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ইউরোপের তিন দেশ ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে বিভিন্ন মেয়াদে অবৈধভাবে বসবাস করার অভিযোগে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাদের নিজ খরচে অথবা দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় দেশগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাসের অভিবাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে বৈধ কাগজপত্রহীন প্রবাসীদের আটক করে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং ট্রাভেল পাস ইস্যু করার পর তাদের একটি বিশেষ ফ্লাইটে বা নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ঢাকায় পাঠানো হয়।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও ইমিগ্রেশন পুলিশ প্রত্যাবাসনকৃত এসব প্রবাসীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে। পরবর্তীতে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রೋಗরামসহ বিভিন্ন বেসরকারি ও সরকারি সহায়তা সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয় যাতে তারা নিরাপদে নিজ নিজ বাড়ি ফিরতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা ইউরোপে অবৈধভাবে পাড়ি জমানোর ঝুঁকি এবং এর পরিণতি সম্পর্কে নতুন বার্তা দিচ্ছে। মানবপাচারে জড়িত চক্রগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি না করলে বাংলাদেশি যুবকদের এই ধরনের বিপদসংকুল পরিস্থিতির শিকার হওয়ার প্রবণতা কমানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।