জাতীয় গ্রিডে আকস্মিক বিপর্যয়ের ফলে রাজধানী ঢাকার গুলশান, মতিঝিল, পূর্বাঞ্চল এবং নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের একাংশে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, সঞ্চালন লাইনে ত্রুটির কারণে এই বিপর্যয় ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টার নিবিড় মেরামতের পর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণে রাজধানী ঢাকার গুলশান, মতিঝিল, পূর্বাঞ্চলসহ নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ আকস্মিক বন্ধ হয়ে যায়।
- পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের টানা দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সঞ্চালন লাইনের ত্রুটি মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
- গ্রিড বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পিডিবি এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কারিগরি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
জাতীয় গ্রিডে আকস্মিক এক প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চল এবং চট্টগ্রামের একাংশে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দৈনন্দিন জীবনে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে গুলশান, মতিঝিল, খিলগাঁও এবং রামপুরা এলাকার গ্রাহকরা দীর্ঘসময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিলেন।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিডিবি) এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গ্রিডের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঞ্চালন লাইনে হঠাৎ ত্রুটি দেখা দেওয়ায় এই বিপর্যয় ঘটে। আকস্মিক এই লোড শেডিংয়ের মতো পরিস্থিতিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে এবং ট্রাফিক সিস্টেমেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি মেরামত দল মাঠে নামায় বড় ধরনের কোনো স্থায়ী ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে নিয়োজিত প্রকৌশলী ও কারিগরি দল নিরলস পরিশ্রম করে প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যে সঞ্চালন লাইন সচল করতে সক্ষম হন। পিডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং রক্ষণাবেত্রের কিছু ত্রুটির কারণে এই সাময়িক বিপত্তি ঘটেছিল। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে গুলশান, মতিঝিল ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
এ ধরনের জাতীয় গ্রিড বিপর্যয় এড়াতে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রটেকশন সিস্টেম চালুর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘন ঘন গ্রিড ফেল করার পেছনে কোনো শৈথিল্য বা যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও অর্থনীতিবিদরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।