৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভূমি খাতের অনিয়ম রোধ ও স্বচ্ছতা আনতে রাজধানীতে চালু হয়েছে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’। রোববার (১৮ অক্টোবর) পুরানা পল্টনে কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুই মাসের মধ্যে এটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই দেশের প্রতিটি জেলায় এই সেবা কেন্দ্র চালু করা হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজধানীর পুরানা পল্টনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ উদ্বোধন করা হয় রবিবার (১৮ অক্টোবর), যা দুই মাসের স্বল্প সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ভূমি খাতের অন্যায় ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
- ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানান, দেশের প্রতিটি জেলায় সরকারি পরিসরে নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র চালুর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে বহুদদূর এগিয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভূমি খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্ভোগ কমাতে রাজধানীতে আরও একটি নতুন সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ এর উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের ভূমি খাতে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, যারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের মূল্যায়ন করা হবে এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানান, প্রথম সেবা কেন্দ্রটির সাফল্য দেখে ঢাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনবহুল কার্যক্রমের কথা বিবেচনা করে এই দ্বিতীয় কেন্দ্রটি চালুর পরিকল্পনা করা হয়। মাত্র দুই মাসের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে নাগরিকেরা ভূমিসেবার সব স্বয়ংক্রিয় সুযোগ-সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে গ্রহণ করতে পারবেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা ভূমি-সংক্রান্ত জটিল ও আইনি বিষয়ে সেবাগ্রহীতাদের প্রাথমিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করবেন।
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু আরও উল্লেখ করেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ভূমি নিয়ে ভাইয়ে-ভাইয়ে কিংবা পারিবারিক বিরোধের বহু অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব জটিলতা নিরসনে জমির মালিকানা, হস্তান্তর এবং ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়া আরও আধুনিক করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চলছে এবং সেবার মান যাচাইয়ের জন্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিজেরাই বিভিন্ন সময় ফোন করে সেবা কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন। সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় ভূমি-সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে খুব শীঘ্রই দেশের প্রতিটি জেলায় সরকারি পরিসরে নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র চালুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই আধুনিক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় জনবান্ধব পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।