লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ
বিজ্ঞাপন

কিম জং–উন কতটা বিলাসী জীবনযাপন করেন, অবকাশকেন্দ্রের কাছে বড় বড় বিলাসবহুল নৌযান কি তাঁর

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 20 অক্টোবর 2026, 05:05 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 63 বার পঠিত
কিম জং–উন কতটা বিলাসী জীবনযাপন করেন, অবকাশকেন্দ্রের কাছে বড় বড় বিলাসবহুল নৌযান কি তাঁর
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং–উনের বিলাসী জীবনযাত্রা ও গোপন অবকাশকেন্দ্রের কাছে একাধিক ব্যয়বহুল প্রমোদতরী থাকার বিষয়টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উপগ্রহ চিত্রে ওয়োংসান অবকাশকেন্দ্রের কাছাকাছি বিশাল মাপের বিলাসবহুল নৌযানের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অর্জিত ব্যক্তিগত সম্পদের অংশ হিসেবে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওয়োংসান অবকাশকেন্দ্রের কাছে একাধিক বিলাসবহুল প্রমোদতরী বা ইয়টের উপগ্রহ চিত্র ধরা পড়েছে, যেগুলোর আনুমানিক মূল্য কয়েক কোটি ডলার।
  • জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের বিলাসবহুল সামগ্রী এবং জলযান উত্তর কোরিয়ায় আমদানি করা হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে।
  • দেশের অভ্যন্তরে তীব্র খাদ্য সংকট ও অর্থনৈতিক মন্দা বিরাজ করলেও কিম পরিবারের এই রাজকীয় জীবনযাত্রা নিয়ে বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্লেষকরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং–উনের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা এবং রাষ্ট্রীয় আয়ের একটি বড় অংশ কীভাবে তার ব্যক্তিগত প্রমোদ ও অভিজাত প্রজেক্টে ব্যয় হয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে দীর্ঘ দিন ধরেই গবেষণা চলছে। সম্প্রতি উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত উচ্চ রেজুলেশনের ছবিতে দেশটির পূর্ব উপকূলের প্রধান অবকাশকেন্দ্র ওয়োংসানের আশপাশে বেশ কয়েকটি বিশাল ও দৃষ্টিনন্দন প্রমোদতরীর উপস্থিতি দেখা গেছে। এই নৌযানগুলো আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যে বিলাসবহুল প্রমোদযান হিসেবে পরিচিত এবং এগুলোর প্রতিটির বাজারমূল্য কোটি কোটি ডলারের বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের বিভিন্ন কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকা সত্ত্বেও কিম জং–উন কীভাবে এই উচ্চমানের বিলাসবহুল সামগ্রী এবং জলযানগুলো সংগ্রহ করছেন, তা এক বড় রহস্য। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কের ফাঁকফোকর গলিয়ে এবং মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় ইউরোপীয় বিভিন্ন প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের পিস ও যন্ত্রাংশ দেশটিতে আমদানি করা হয়। বিশেষ করে কিম পরিবারের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ওয়োংসান এবং কাংডং এলাকার গোপন কম্পাউন্ডগুলোতে এ ধরনের প্রমোদতরী এবং স্পিডবোট নিয়মিত যাতায়াত করে।

মানবাধিকার সংস্থা এবং উত্তর কোরিয়া বিষয়ক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন যে, সাধারণ জনগণের মৌলিক অধিকার ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ এভাবে একচেটিয়া বিলাসব্যসনে ব্যবহার করা হচ্ছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান যখন চরম অবনতিশীল, তখন শাসক শ্রেণির জন্য রাজকীয় প্রাসাদ, ঘোড়দৌড় ট্র্যাক, ব্যক্তিগত বিমানবহর এবং এসব বিলাসবহুল নৌযানের অবকাঠামো দিন দিন আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব হিসেবে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তর কোরিয়ার ওপর কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে উপেক্ষা করে শীর্ষ নেতৃত্বের বিলাসী জীবনযাপনের এই তথ্য দেশটির সাধারণ মানুষের মনে এক গভীর হতাশার জন্ম দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজ্ঞাপন ও বিশেষ খবর
স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ