লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ
ব্রেকিং আইন ও অপরাধ

মাদক পার্টি: সরানো হলো অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 20 অক্টোবর 2026, 06:07 বিকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 55 বার পঠিত
মাদক পার্টি: সরানো হলো অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জহিরুল ইসলামের ভাড়া দেওয়া বাসায় অবৈধ মাদক ও জুয়া পার্টির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় নারীসহ অন্তত ৮৪-৮৫ জনকে আটক করা হয়। অসামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের ৭০ ভাগ পেতেন ওই কর্মকর্তা। এই ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পদ থেকে সরিয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • রাজধানীর ভাটারা থানায় অবস্থিত পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জহিরুল ইসলামের মালিকানাধীন এবং ভাড়া দেওয়া বাসায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
  • অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে নারীসহ মোট ৮৪ থেকে ৮৫ জনকে আটক করা হয় এবং প্রচুর পরিমাণে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
  • প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই বাসায় পরিচালিত অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও অবৈধ পার্টি থেকে প্রাপ্ত আয়ের ৭০ শতাংশ লভ্যাংশ পেতেন অতিরিক্ত ডিআইজি জহির।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

রাজধানীর ভাটারা থানার বারিধারা বা সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জহিরুল ইসলামের একটি ভাড়া বাসায় সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে। ওই বাসাটিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মাদক পার্টি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ ছিল। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে নারী ও পুরুষসহ মোট ৮৪ থেকে ৮৫ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও অসামাজিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল ইসলামের মালিকানাধীন ওই বাড়িটি বা ফ্ল্যাটটি মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই ফ্ল্যাটে নিয়মিত মাদক ও ডান্স পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিনিময়ে যে আর্থিক লেনদেন হতো, তার ৭০ শতাংশ অর্থ পেতেন স্বয়ং অতিরিক্ত ডিআইজি জহির। পুলিশের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তার সরাসরি ছত্রছায়া বা সম্পৃক্ততার অভিযোগে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার পরপরই পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জহিরুল ইসলামকে তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো প্রভাবশালী চক্র বা সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাসভবনে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনা জনমনে গভীর শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের নজিরবিহীন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ