মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয়
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সব বিতরণ ও সরবরাহকারী কোম্পানির গত তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পুনরায় পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করতে চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্ম নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে বিইআরসি। মঙ্গলবার রাজধানীর বিইআরসি কার্যালয়ে এফইআরবির প্রশিক্ষণে এ কথা জানান চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। এছাড়া এসপিএম প্রকল্পের আট হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগসহ সব নতুন প্রকল্পে কমিশনের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ঘোষণা দিয়েছেন যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সব বিতরণ ও সরবরাহকারী কোম্পানির গত তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পুনরায় পরীক্ষা করতে দ্রুত একটি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্ম নিয়োগ করা হবে।
- বিইআরসি আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী এসপিএম প্রকল্পে প্রায় আট হাজার কোটি টাকাসহ যেকোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে কমিশনের পূর্বানুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা সরাসরি জ্বালানি ট্যারিফের সঙ্গে যুক্ত।
- মিটারযুক্ত ও মিটারবিহীন গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহারের বাস্তব চিত্র পেতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে একটি বিশেষ গবেষণা পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সব বিতরণ ও সরবরাহকারী কোম্পানির গত তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পুনরায় পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এই উদ্দেশ্যে দ্রুত একটি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্ম নিয়োগ দেওয়া হবে। নিরীক্ষার মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা, আয়-ব্যয় এবং বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগের আর্থিক যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিইআরসি কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) সদস্যদের জন্য আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এসব তথ্য জানান।
অনুষ্ঠানে বিইআরসির চেয়ারম্যান জানান, কমিশনের অনুরোধে সংশ্লিষ্ট সব কোম্পানি তাদের গত তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা না থাকায় একটি স্বনামধন্য সিএ ফার্মের মাধ্যমে এগুলো পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। এর ফলে কোম্পানিগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। এছাড়া বিইআরসি আইনের ২২ ধারা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কমিশনের পূর্বানুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও অনেক সময় তা মানা হচ্ছে না। এ বিষয়ে পেট্রোবাংলা, বিপিসি, বিপিডিবি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্পের উদাহরণ টেনে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, এই একক প্রকল্পে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, যার ব্যয় শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের ট্যারিফের সঙ্গে যুক্ত হবে। তাই বড় অঙ্কের বিনিয়োগের আর্থিক সক্ষমতা, পে-ব্যাক পিরিয়ড এবং অর্থ ফেরত আসার প্রক্রিয়া প্রকল্প শুরুর আগেই যাচাই করা জরুরি। ট্যারিফ নির্ধারণের সময় যাতে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য প্রতিটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে বিইআরসির অনুমোদন নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়।
আসন্ন শীত মৌসুম এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে জ্বালানি খাতের সম্ভাব্য সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিইআরসি প্রধান। আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি ও গ্যাসের দাম বাড়ার শঙ্কার পাশাপাশি দেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে, মিটারযুক্ত ও মিটারবিহীন গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট পার্থক্য নিরূপণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে একটি গবেষণা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।