৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলার মহিরগোলা এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সন্ত্রাসীদের হামলায় মো. সুমন আলী গুলিবিদ্ধ এবং তার ছেলে ফাহিম ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। কেরানীগঞ্জে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংঘটিত ফরহাদ হত্যা মামলার ঘটনায় আসামিদের নাম প্রকাশ করায় এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- গত ১৫ অক্টোবর রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলার মহিরগোলা এলাকায় সুমন আলী ও তার ছেলে ফাহিমের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
- কেরানীগঞ্জের আর্শীনগরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ফরহাদ হত্যার ঘটনায় জড়িতদের নাম প্রকাশ করায় সোহেল, রমিজ, রাব্বি, মুন্না ও ইয়ামিনসহ ৭-৮ জন এই হামলা চালায় বলে স্বজনদের দাবি।
- আহত বাবা-ছেলেকে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয় এবং স্থানীয়দের অভিযোগ মতে হামলাকারী রাব্বি চিহ্নিত চাঁদাবাজ বাদল শরীফ গ্রুপের সদস্য।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা এলাকার মহিরগোলা এলাকায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সামনে গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন মো. সুমন আলী (৪৫) ও তার ছেলে ফাহিম। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে সুমন আলী গুরুতর আহত হন এবং তার ছেলে ফাহিমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
পরিবার ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, আহত সুমন আলী ও তার ছেলে ফুটপাতে ভ্যানে করে আলু-পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কাঁচামাল বিক্রি করেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জের আর্শীনগরে ফুটপাতে দোকান বসানো ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি সেলুনে কুপিয়ে ফরহাদ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। নিহত ফরহাদ সম্পর্কে সুমন আলীর শ্যালক হন। ওই হত্যা মামলায় আসামিদের নাম প্রকাশ করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীদের স্বজন পারভেজ।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বসিলার ময়ূর ভিলার সামনের ফুটপাতে দোকান বসানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। জায়গার অবস্থান ভেদে চাঁদার পরিমাণ নির্ধারিত হয়। এই অবৈধ চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। অভিযুক্ত রাব্বি স্থানীয় চিহ্নিত চাঁদাবাজ বাদল শরীফ ওরফে বাদল গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। ঘটনার দিন সোহেল, রমিজ, রাব্বি, মুন্না ও ইয়ামিনসহ ৭-৮ জনের একটি দল এই হামলা চালায়।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। অন্যদিকে, ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন যে আহত বাবা-হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলা ট্রিবিউন-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।