লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে এই অসম্মান কেন

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 26 অক্টোবর 2026, 06:58 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 20 বার পঠিত
মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে এই অসম্মান কেন
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী ও পিরোজপুর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নিয়ে তীব্র জটিলতা ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। পিরোজপুরে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশ্লেষকেরা এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার অন্যতম প্রধান বাদী ও মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী মৃত্যুবরণ করেন।
  • মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন মহলে প্রচেষ্টা চালানো হয়, যা নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।
  • পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শেষ পর্যন্ত পিরোজপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের মধ্য দিয়ে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করা হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনকে কেন্দ্র করে পিরোজপুরে এক অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও জানাজায় এমন প্রতিবন্ধকতা এবং অসম্মানের ঘটনা দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর পর তার দাফন সম্পন্ন করার সময় স্থানীয় একটি মহলের বাধা ও বিরোধিতার কারণে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

মানিক পশারী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছিলেন। জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিচার প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিগত বছরগুলোতেও তাকে বিভিন্ন সময়ে আইনি লড়াই ও সামাজিক চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা তার মৃত্যুর পরেও তার শেষকৃত্যে প্রভাব ফেলে।

এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, গবেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রখ্যাত গবেষক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাসনিম জারা সহ অনেকেই বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তাদের আচরণ কেমন হতে পারে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তারা উল্লেখ করেন যে, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে তার নিজ জন্মভূমিতে শেষ বিদায় জানানোর সময় এ ধরনের বাধা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অসহিষ্ণুতার একটি নগ্ন চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা বড় ধরনের হুমকি স্বরূপ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের আরও কঠোর ও দূরদর্শী ভূমিকা প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ