নাটোরে গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলামিন ও আনিসুর নামের দুজনকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ধারাবাড়িষা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর আগে গত সোমবার নাটোর-৪ আসনের এমপির ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করা হয় এবং আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার ঢাকায় তার মৃত্যু হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবাড়িষা এলাকা থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে আলামিন (২৬) ও আনিসুর (২৫) নামের দুজনকে ডিবি পুলিশ হেফাজতে নেয়, যারা একটি চাটা গ্রুপের সদস্য বলে চিহ্নিত।
- মামলায় এর আগে গত সোমবার গভীর রাতে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয় এবং আদালত তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
- গুরুতর আহত অবস্থায় শাকিল ইসলামকে প্রথমে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সবশেষে ঢাকার একটি হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় যেখানে সোমবার রাত ৮টায় তিনি মারা যান।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নাটোরে গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় তদন্তের গতি বৃদ্ধি করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও দুই তরুণকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ধারাবাড়িষা এলাকা থেকে আলামিন (২৬) ও আনিসুর (২৫) নামের ওই দুইজনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতরা স্থানীয় একটি কুখ্যাত চাটা গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।
এর আগে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় গত সোমবার গভীর রাতে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে নাটোর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুরুদাসপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমীর হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে, বিচারক মাহমুদুল হাসান শুনানি শেষে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, হামলার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় শাকিল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঢাকার একটি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় গত সোমবার রাত আটটায় তার মৃত্যু হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে অব্যাহত রয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন পদক্ষেপে দ্রুতই প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।