রাজবাড়ী সদর উপজেলার লক্ষ্মীকোল রাজারবাড়ী এলাকায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গত ৮ নভেম্বর ১৪ হাত উচ্চতার প্রতিমায় শ্যামাপূজা শুরু হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। এছাড়া কালুখালীর খাগজানা ও বালিয়াকান্দির বেতাজ্ঞাতসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে একই আকৃতির জোড়া প্রতিমায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজবাড়ী সদর উপজেলার লক্ষ্মীকোল রাজারবাড়ী এলাকায় গত ৮ নভেম্বর থেকে ১৪ হাত উচ্চতার প্রতিমায় ঐতিহ্যবাহী শ্যামাপূজা শুরু হয়েছে।
- আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ১৩ নভেম্বর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে।
- সদর উপজেলার পাশাপাশি কালুখালী উপজেলার খাগজানা ও বালিয়াকান্দি উপজেলার বেতাজ্ঞাত এলাকায় ১৪ হাত উচ্চতার জোড়া প্রতিমায় শ্যামাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজবাড়ীতে ধর্মীয় উৎসাহ-উদ্দীপনা ও যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গত ৮ নভেম্বর শুরু হয়েছে শ্যামাপূজা। রাজবাড়ী সদর উপজেলার লক্ষ্মীকোল রাজারবাড়ী (কালীবাড়ি) এলাকায় দয়াময়ী ও শীতলা মন্দির সংলগ্ন স্থানে ১৪ হাত উচ্চতার বিশাল প্রতিমায় এ পূজার আয়োজন করা হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মন্দির প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় ভক্তদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আগামী শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, শুধু সদর উপজেলাই নয়, জেলার অন্যান্য অঞ্চলেও বিশাল আকৃতির প্রতিমায় শ্যামাপূজার বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ করে কালুখালী উপজেলার খাগজানায় ১৪ হাত উচ্চতার জোড়া প্রতিমায় এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার বেতাজ্ঞাতেও সমপরিমাণ উচ্চতার প্রতিমায় শ্যামাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এছাড়া রাজবাড়ী শহরের বিভিন্ন মন্দির ও বাসাবাড়িতেও সাড়ম্বরে চলছে দেবী শ্যামার আরাধনা ও পূজা-অর্চনা।
স্থানীয় পুজো উদ্যাপন কমিটির প্রতিনিধি ও ভক্তরা জানান, প্রতিবছরই এই পূজাকে কেন্দ্র করে রাজবাড়ীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ১৪ হাত উচ্চতার এই বিশাল ও দৃষ্টিনন্দন প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে নানা বয়সের দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন হতে পারে।
এই বৃহৎ ধর্মীয় আয়োজন রাজবাড়ীর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যকে আরও সুদৃঢ় করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সুধীজন। পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের শেষ দিনে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন নদনদী ও জলাশয়গুলোর তীরে ভক্তদের ঢল নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পূজার মধ্য দিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।