দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে চাহিদার বিপরীতে সরবরাহের ঘাটতিকে এই নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ২৫ হাজার ১৬ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
- আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৫০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে এই বড় ধরনের সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে ব্যবসায়ীরা।
- স্বর্ণের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দামও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে চাহিদার বিপরীতে সরবরাহের ঘাটতিকে এই নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বর্ণ কেনার আগ্রহে ভাটা পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বাজারে এই সমন্বয় করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৫০ ডলার অতিক্রম করায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। বাজুসের তথ্যমতে, স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের মজুদ ও আমদানিকৃত স্বর্ণের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় স্বর্ণের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই উচ্চমূল্যের কারণে গত কয়েক মাসে স্বর্ণের বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্বর্ণের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। বিনিয়োগকারীরা এখন স্বর্ণের পরিবর্তে বিকল্প নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন। তবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত দেশের বাজারে এই উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বিলাসপণ্য হিসেবে স্বর্ণের ব্যবহারকে আরও সীমিত করে তুলবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।