আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। গত বৃহস্পতিবার শারজায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২০তম ম্যাচে টাডিওয়ানাশে মারুমানিকে আউট করে এই অনন্য ইতিহাস গড়েন আফগান অধিনায়ক। তাঁর দুর্দান্ত বোলিং গড় ১৩.৯৬ এবং ইকোনমি রেট ৬.১৩, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের প্রথম ও একমাত্র বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান।
- বৃহস্পতিবার শারজায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ক্যারিয়ারের ১২০তম ম্যাচে টাডিওয়ানাশে মারুমানিকে আউট করে এই কীর্তি গড়েন তিনি।
- এই সংস্করণে রশিদের বোলিং গড় ১৩.৯৬ এবং ওভারপ্রতি রান খরচ মাত্র ৬.১৩, যেখানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭১ উইকেট নিয়ে তালিকার অনেক পেছনে রয়েছেন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন এক ইতিহাস গড়লেন আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার ও অধিনায়ক রশিদ খান। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বিশ্বের প্রথম বোলার হিসেবে তিনি ২০০ উইকেটের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই গৌরব অর্জন করেন তিনি। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটার টাডিওয়ানাশে মারুমানিকে আউট করার মাধ্যমে নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ঐতিহাসিক ২০০তম উইকেটের শিকার বানান রশিদ খান।
আফগান এই লেগ স্পিনারের এই ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ১২০তম ম্যাচে। শুধু উইকেট শিকারের দিক থেকেই নয়, বোলিংয়ের ধার ও ধারাবাহিকতায়ও তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর বোলিং গড় মাত্র ১৩.৯৬ এবং ওভারপ্রতি রান খরচের হার বা ইকোনমি রেট ৬.১৩। এর পাশাপাশি এই ফরম্যাটে তাঁর রয়েছে দুটি পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্যকে বারবার প্রমাণ করে।
উইকেট শিকারের এই সর্বকালীন তালিকায় রশিদ খানের ধারেকাছেও কেউ নেই। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার আদিল রশিদ ১৫৩ ম্যাচে শিকার করেছেন ১৭১ উইকেট। এ ছাড়া যৌথভাবে ১৬৫ উইকেট নিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছেন হংকংয়ের এহসান খান ও নিউজিল্যান্ডের ইশ সোধি। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এই ফরম্যাটে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক পেসার মুস্তাফিজুর রহমান, যাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১৬৩ উইকেট। রশিদ খানের চেয়ে তারা সবাই বেশ অনেকটা ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছেন।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে রশিদ খানের এই রেকর্ড ভাঙা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বোলারদের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর এই জয়রথ আফগানিস্তান ক্রিকেট দলকে বিশ্বমঞ্চে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। আধুনিক ক্রিকেটে লেগ স্পিনের কার্যকারিতা এবং শ্রেষ্ঠত্বের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে খোদাই করে নিলেন এই আফগান মারি, যা বিশ্ব ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।