৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গত ২৬ এপ্রিল ২০২৪ ক্যাম্পাসে নতুন উপাচার্য যোগদানের সময় শিক্ষার্থীরা ভবন ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করে স্লোগান দেন। অন্যদিকে শিক্ষক-কর্মচারীরাও অসহযোগিতার ঘোষণা দেওয়ায় পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ তাকে বর্জন করে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
- শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের নিয়োগকে ‘অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তার পদত্যাগের দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও ‘নতুন ভিসি প্রত্যাখ্যান’ স্লোগান দেন।
- উপাচার্যের পক্ষ থেকে তালা ভেঙে চেয়ারে বসার চেষ্টা করা হলেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের একাংশ তাকে ‘অসহযোগিতা’ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক কার্যক্রমে চরম অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের একাংশের কঠোর আন্দোলনের মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত ২৬ এপ্রিল নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে যোগ দিতে এলে শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় ‘নতুন ভিসি প্রত্যাখ্যান’ ও বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো চুয়েট ক্যাম্পাস।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতামতের তোয়াক্কা না করেই এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর দমনপীড়নের অভিযোগ তুলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক ও কর্মচারীদের একটি বড় অংশও নতুন উপাচার্যকে ‘অসহযোগিতা’ করার ঘোষণা দেন।
উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেও উপাচার্য ও প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা তালা ভেঙে বা বিকল্প উপায়ে অফিসে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির তীব্র বিরোধিতায় চুয়েটের স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে এই অচলাবস্থা নিরসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান সমঝোতার উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ আরও দানা বাঁধছে।
চুয়েটের এই চলমান সংকট দেশের উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক স্থবিরতা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী আস্থার ঘাটতির এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ। দ্রুত কার্যকর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংলাপ ছাড়া এই সংকট নিরসন অসম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদেরা। অন্যথায় প্রকৌশল শিক্ষার এই শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সেশনজট ও গবেষণাকার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।