লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

যার সঙ্গে সংঘর্ষে ফুটবলারের মৃত্যু, কেমন আছেন সেই গোলরক্ষক?

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 03 নভেম্বর 2026, 01:43 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 57 বার পঠিত
যার সঙ্গে সংঘর্ষে ফুটবলারের মৃত্যু, কেমন আছেন সেই গোলরক্ষক?
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে এফসি আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনোর সঙ্গে সংঘর্ষে তেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল নিহত হয়েছেন। ম্যাচের যোগ করা সময়ে বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ওওনোর হাঁটু দে মিগেলের বুকে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ওওনো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ম্যাচের যোগ করা সময়ে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে এফসি আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনোর হাঁটু তেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের বুকে আঘাত করলে তিনি মাঠেই লুটিয়ে পড়েন এবং পরে হাসপাতালে মারা যান।
  • ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওওনোকে 'খুনি' আখ্যা দিয়ে হুমকি ও গালাগাল করা হচ্ছে, যার ফলে ২৫ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক বাধ্য হয়ে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছেন।
  • এফসি আন্দোরার প্রধান শেয়ারহোল্ডার জেরার্দ পিকেসহ ক্লাব কর্তৃপক্ষ এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং ওওনো ব্যক্তিগতভাবে দে মিগেলের পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশের চেষ্টা করছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবল ম্যাচে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। ম্যাচের যোগ করা সময়ে বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে এফসি আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনোর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ওওনোর হাঁটু সরাসরি দে মিগেলের বুকে আঘাত করলে তিনি মাঠেই অচেতন হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর ম্যাচটি আর সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ২৫ বছর বয়সী গোলরক্ষক হেসুস ওওনো। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম 'এএস' জানিয়েছে, ড্রেসিংরুমে তাকে কাঁদতে ও দে মিগেলের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করতে দেখা গেছে। নিরক্ষীয় গিনির এই গোলরক্ষক বলের দখল নিতে গিয়ে সময়ের ভুল হিসাবের কারণে এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন, যার কোনো উদ্দেশ্যমূলক আঘাত ছিল না বলে দাবি করেছে এফসি আন্দোরা। ঘটনার সময় রেফারি ওওনোকে সরাসরি লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।

মাঠের এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ওওনোকে নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। হেলিওদোরো রদ্রিগেস লোপেস স্টেডিয়ামে মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারির একাংশ থেকে তাকে 'খুনি' বলে গালি দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত হুমকি ও বিদ্বেষমূলক বার্তা আসতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তার খাতিরে ওওনো তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন। তবে তিনি নিয়মিত চিকিৎসাকর্মীদের মাধ্যমে দে মিগেলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই মৃত্যু স্প্যানিশ ফুটবলে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। এফসি আন্দোরার প্রধান শেয়ারহোল্ডার ও সাবেক বার্সেলোনা তারকা জেরার্দ পিকে দে মিগেলের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ফুটবল মাঠে বলের জন্য লড়তে গিয়ে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনাটি ক্রীড়াঙ্গনে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। ওওনো এখন শোকের পাশাপাশি এই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন, যেখানে তিনি প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার আগে দে মিগেলের পরিবারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করতে চান।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ