ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ মামলায় শিক্ষকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ঢাকার সাভারে একটি আবাসিক মাদ্রাসার ৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে যৌন নির্যাতনের মামলায় গ্রেপ্তার শিক্ষক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা মামলায় পুলিশ এ পর্যন্ত ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। আদালত জবানবন্দি রেকর্ড করে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষককে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সাভারে আবাসিক মাদ্রাসার ৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ৬ মাস ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
- ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকসহ ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকি পলাতক অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
- নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকার সাভারে একটি আবাসিক মাদ্রাসার সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে যৌন নির্যাতনের মামলায় গ্রেপ্তার শিক্ষক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সাভার মডেল থানা পুলিশ রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করলে তিনি স্বেচ্ছায় অপরাধের দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন। বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসামির স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি সাভারের স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় থেকে পড়াশোনা করছিল। গত প্রায় ছয় মাস ধরে মাদ্রাসার শিক্ষক তাকে নিয়মিত যৌন নিপীড়ন ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন এবং সাভার মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ মাদ্রাসায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মূল অভিযুক্ত শিক্ষকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাদ্রাসার অন্যান্য পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। এদিকে নির্যাতিত শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও মানসিক ট্রমা কাটিয়ে ওঠার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মতো বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং স্থানীয় অভিভাবকরা আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার ও যৌন নিপীড়ন রোধে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এ ধরনের স্পর্শকাতর মামলায় দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।