এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ বাঁধা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্তদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বনানী সংলগ্ন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ ও হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
- তদন্তে জানা গেছে, মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকায় আসার পর ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে নৃশংসভাবে খুন হন তিনি।
- হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ একটি যাত্রীবাহী বাসের চালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং নিহতের খোয়া যাওয়া মোবাইল ও অর্থ উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশ থেকে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো ও হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা অজ্ঞাত মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে একটি যাত্রীবাহী বাসের চালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ইসমাইলকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইসমাইল হোসেন নিজের মেয়ের বিয়ের খরচ মেটানোর উদ্দেশ্যে গ্রামের বাড়ি থেকে জমি বিক্রির নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকায় পৌঁছানোর পর তিনি একটি গণপরিবহনে ওঠেন এবং সেখানে থাকা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের কবলে পড়েন। দুর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তার মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরবর্তীতে গভীর রাতে সুযোগ বুঝে লাশটি এক্সপ্রেসওয়ের বনানী র্যাম্পের ওপর ফেলে পালিয়ে যায়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক বাসটিকে চিহ্নিত করা হয়। এরপর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাসচালকসহ মোট তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রাজধানীর সুরক্ষিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে এমন বর্বরোচিত লাশ ফেলার ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে দ্রুততম সময়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও মূল আসামিদের গ্রেপ্তারের ফলে জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। পুলিশ জানিয়েছে, চক্রটির সঙ্গে অন্য কোনো অপরাধী জড়িত রয়েছে কিনা এবং খোয়া যাওয়া নগদ ৫ লাখ টাকা পুরোপুরি উদ্ধারে তাদের রিমান্ডে নিয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Dhakatimes24-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।