লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ফের আলোচনায়

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 28 অক্টোবর 2026, 07:39 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 40 বার পঠিত
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ফের আলোচনায়
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

পিরোজপুরের পত্তাশ ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর অনুসারীদের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ ও মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামে মৃত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনকাজে সাঈদীপুত্র ও তার অনুসারীরা বাধা প্রদান করে বলে অভিযোগ ওঠে।
  • ঘটনার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধারা মোমবাতি প্রজ্বালন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।
  • স্থানীয় সচেতন মহল ও মুক্তিযোদ্ধারা একে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

পিরোজপুরের পত্তাশ ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করার সময় স্থানীয় একটি মহলের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সদ্য প্রয়াত এই বীর মুক্তিযোদ্ধার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর অনুসারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহল। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, দাফন সম্পন্ন করতে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়, যা এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর অঞ্চলে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দণ্ডিত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর অনুসারীদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। মানিক পশারী জীবদ্দশায় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারণ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর স্থানীয়ভাবে তাকে সম্মান জানাতে গেলে সাঈদীর অনুসারী ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। এই অমানবিক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা মুহূর্তের মধ্যে স্থানীয় গণ্ডি ছাড়িয়ে জাতীয় গণমাধ্যমে প্রধান শিরোনামে উঠে আসে।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। জাহাঙ্গীরনগরে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয় এবং মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'নতুন ফরম্যাটে আলবদর বাহিনী আবার মাঠে নেমেছে।' তারা অবিলম্বে এসব উগ্র ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির অপতৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, একাত্তরের চেতনাবিরোধী শক্তি এখনো সমাজের বিভিন্ন স্তরে ঘাপটি মেরে আছে এবং সুযোগ পেলেই মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ দমন করা না হলে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর বড় ধরনের আঘাত আসবে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ