লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

মঞ্চনাটক থেকে শিশুদের স্বপ্ন গড়ার এক নিরলস সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক পি এম বিল্লাল

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 28 অক্টোবর 2026, 02:51 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 52 বার পঠিত
মঞ্চনাটক থেকে শিশুদের স্বপ্ন গড়ার এক নিরলস সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক পি এম বিল্লাল
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

চাঁদপুরের নিবেদিতপ্রাণ সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক পি এম বিল্লাল দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে নাট্যচর্চা ও সমাজসেবায় অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর ‘শিশু থিয়েটার’ এবং ২০০১ সালে ‘নটমঞ্চ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শিশু-কিশোরদের নাট্যচর্চায় সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি ২৫টি পথনাটকের মাধ্যমে মাদক ও স্যানিটেশনের মতো সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • পি এম বিল্লাল ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর ‘শিশু থিয়েটার’ প্রতিষ্ঠা করেন, যার ব্যানারে ‘বাউল বাঁশির সুর’ ও ‘লেখাপড়া’সহ মোট ১২টি শিশুতোষ নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে।
  • তিনি ২০০১ সালে ‘নটমঞ্চ’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই সংগঠনের মাধ্যমে ‘কৃপণ’, ‘তামাশা’ ও ‘বদহজম’সহ ১৩টি নাটক নির্দেশনা ও মঞ্চায়ন করেন।
  • তাঁর নির্দেশনায় নটমঞ্চের উদ্যোগে চাঁদপুরের আটটি উপজেলায় আর্সেনিক, স্যানিটেশন, মাদক ও ধূমপানবিরোধী সচেতনতামূলক ২৫টি পথনাটক প্রদর্শিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

চাঁদপুরের সংস্কৃতি অঙ্গনে এক পরিচিত ও প্রথিতযশা মুখ পি এম বিল্লাল। দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে নাট্যাভিনয়, নাট্যনির্দেশনা এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে তিনি এই অঞ্চলে নাট্যচর্চাকে টিকিয়ে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শৈশব থেকেই সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা বিল্লালের মঞ্চাভিনয়ে অভিষেক ঘটে চাঁদপুর থিয়েটারের ব্যানারে ‘১৯৭১’ নাটকে ইমাম চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর থেকেই নাটককে ভালোবেসে তিনি নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করেন শিল্প ও সংস্কৃতির সেবায়।

নাটকের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই তিনি শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল বিকাশে ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা করেন ‘শিশু থিয়েটার’। তাঁর সরাসরি নির্দেশনায় এই সংগঠনের ব্যানারে ‘বাউল বাঁশির সুর’, ‘বাংলা ভাষী ভালো’, ‘ভূতের মুখে রাম নাম’ ও ‘লেখাপড়া’সহ মোট ১২টি শিশুতোষ নাটক মঞ্চায়িত হয়। পরবর্তীতে বড়দের নিয়মিত নাট্যচর্চার উদ্দেশ্যে ২০০১ সালে তিনি গঠন করেন নাট্যসংগঠন ‘নটমঞ্চ’। ‘নটমঞ্চ’-এর ব্যানারে তাঁর নির্দেশিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘কৃপণ’, ‘তামাশা’, ‘বদহজম’, ‘দূরপাল্লা’ এবং ‘ইদানিং তিনি ভদ্রলোক’। এছাড়া ‘বদির বিয়ে’ ও ‘গুনাই বিবি’র মতো নাটকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

নাট্যচর্চাকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে না রেখে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন পি এম বিল্লাল। তাঁর উদ্যোগে চাঁদপুরের আটটি উপজেলায় মোট ২৫টি পথনাটক প্রদর্শিত হয়েছে। এর মধ্যে স্যানিটেশন ও আর্সেনিক সচেতনতামূলক পথনাটক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৭ বার এবং মাদক ও ধূমপানবিরোধী সচেতনতামূলক নাটকও মঞ্চায়ন করা হয়। নাট্যকর্মের পাশাপাশি বেদে পল্লি, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।

বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় ভোগা শিশুদের চিকিৎসাসেবা সহায়তায় তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ঠোঁটকাটা, তালুকাটা ও বাঁকা পায়ে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা এবং সংশোধনমূলক পদক্ষেপে তিনি অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মী হিসেবে পি এম বিল্লালের এই বহুমুখী অবদান চাঁদপুরের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ