রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বরখাস্ত হওয়া ব্যাংক প্রধানরা হলেন সোনালী ব্যাংকের মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ১৯ অক্টোবর জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।
- অপসারিত ব্যাংক প্রধানরা হলেন সোনালী ব্যাংকের মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
- সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে চুক্তির শর্ত ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদল আনা হলো।
যাঁদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে, তাঁরা হলেন সোনালী ব্যাংকের মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। এর মধ্যে মো. শওকত আলী খান ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে তিন বছরের জন্য যোগ দিয়েছিলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম রূপালী ব্যাংকে এবং মো. মজিবর রহমান জনতা ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে ছিলেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে পাঠানো পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে চুক্তির শর্ত ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে শীর্ষ পদে এই পরিবর্তনের ফলে আর্থিক খাতের সার্বিক কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা। ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিধি মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং নতুন নেতৃত্ব নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।