গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা ও পণ্য রিপ্লেসমেন্ট নিয়ে নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে জনপ্রিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ড্যাজল শপের বিরুদ্ধে। অনলাইনে অর্ডার করা ত্রুটিপূর্ণ পণ্য বদলে নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ক্রেতারা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাস্টমার কেয়ার থেকে মিলছে না কোনো সঠিক সমাধান। দ্রুত এ বিষয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- অনলাইন ভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ড্যাজল শপের বিরুদ্ধে পণ্য রিপ্লেসমেন্ট বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।
- ত্রুটিপূর্ণ পণ্য হাতে পাওয়ার পর তা বদলানোর জন্য কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করা হলেও ভুক্তভোগীরা দিনের পর দিন কোনো কার্যকরী সমাধান পাচ্ছেন না।
- ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং ই-কমার্স খাতের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর মনিটরিং ও তদন্তের দাবি উঠেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম ড্যাজল শপের বিরুদ্ধে পণ্য রিপ্লেসমেন্ট বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ই-কমার্স খাতের এই প্রতিষ্ঠানে অর্ডারকৃত ত্রুটিপূর্ণ বা ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য পরিবর্তনের জন্য গ্রাহকরা কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলেও নানা অজুহাতে তাদের ঘোরানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে ডিজিটাল মাধ্যমে কেনাকাটায় সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, পণ্য বিক্রির সময় ড্যাজল শপ আকর্ষণীয় অফার ও দ্রুত রিফান্ড বা রিপ্লেসমেন্টের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। গ্রাহকরা পণ্য হাতে পাওয়ার পর ত্রুটি পেলে তা পরিবর্তনের আবেদন করার পর থেকেই শুরু হয় দীর্ঘসূত্রতা। অনেক ক্ষেত্রে ফোন কল ও মেসেজের কোনো সদুত্তর দেওয়া হয় না, যা ই-কমার্স নীতিমালার পরিপন্থী।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও ই-কমার্স বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন শপগুলোর এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ সামগ্রিক ই-উদ্যোগ ও ডিজিটাল বাণিজ্য খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সঠিক তদারকি ও জবাবদিহির অভাবে কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ঠকাচ্ছে। দ্রুত ড্যাজল শপের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল কমার্স আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হলে এ ধরনের অনিয়ম বাড়তেই থাকবে। ড্যাজল শপের এই রিপ্লেসমেন্ট জালিয়াতি ও হয়রানির বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।