আসন্ন লক্ষ্মীপুজো ও ধনতেরসের আগে কলকাতায় কমল সোনা ও রুপোর দাম। কলকাতার স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১৭৫ টাকা কমে ১৩,৩৫০ টাকা এবং প্রতি কেজি রুপোর দাম ৭,৩৪৮ টাকা কমে ১,৯৬,১৬৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই মূল্যপতন ক্রেতাদের সোনা ও মূল্যবান ধাতু ক্রয়ে বড় স্বস্তি দিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কলকাতার স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির (SSBC) তথ্য অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১৭৫ টাকা কমে হয়েছে ১৩,৩৫০ টাকা এবং ১০ গ্রামে মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ১,৩৩,৫০০ টাকায়।
- একদিনের ব্যবধানে খাঁটি সোনার (৯৯৫ বিশুদ্ধতা) দাম প্রতি গ্রামে ১৮২ টাকা কমে হয়েছে ১৪,০৫৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১৪৫ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১০,৯৬০ টাকা প্রতি গ্রামে।
- এক কেজি রুপোর বারের (৯৯৯ বিশুদ্ধতা) দামে সবচেয়ে বড় পতন দেখা গেছে, যেখানে একদিনে ৭,৩৪৮ টাকা কমে মূল্য দাঁড়িয়েছে ১,৯৬,১৬৫ টাকা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আসন্ন লক্ষ্মীপুজো এবং ধনতেরসের প্রাক্কালে কলকাতার ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এল মূল্যবান ধাতুর বাজার। কলকাতার স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির (SSBC) প্রকাশিত সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী, একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে সোনা ও রুপোর দাম। ২২ অক্টোবরের তুলনায় ২৩ অক্টোবর বাজারে সব ধরনের সোনার পাশাপাশি রুপোর দামেও বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা উৎসবের মৌসুমে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ের পরিকল্পনাকে আরও সহজ করে তুলেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রামের দাম ১৭৫ টাকা কমে ১৩,৩৫০ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগের দিন ছিল ১৩,৫২৫ টাকা। ফলে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে এখন ১,৩৫,২৫০ টাকার পরিবর্তে ১,৩৩,৫০০ টাকা খরচ হচ্ছে। অন্যদিকে, খাঁটি সোনা অর্থাৎ ৯৯৫ বিশুদ্ধতার প্রতি গ্রাম সোনা ১৮২ টাকা কমে ১৪,০৫৪ টাকায় এবং হিরে বা পাথর সেটিং গয়নায় ব্যবহৃত ১৮ ক্যারেট সোনা প্রতি গ্রামে ১৪৫ টাকা কমে ১০,৯৬০ টাকায় বিক্রেতারা বিক্রি করছেন।
সোনার পাশাপাশি রুপোর বাজারেও বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে। এসএসবিসি-র তথ্য অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর এক কেজি ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর বারের দাম ছিল ২,০৩,৫১৩ টাকা, যা ২৩ অক্টোবর ৭,৩৪৮ টাকা কমে ১,৯৬,১৬৫ টাকায় নেমে এসেছে। তবে এই দামগুলির সঙ্গে জিএসটি (৩ শতাংশ) এবং গয়না তৈরির মজুরি যুক্ত নেই। খুচরা বাজার থেকে গয়না বা পাকা সোনা ক্রয়ের সময় ক্রেতাদের এই অতিরিক্ত খরচগুলোও হিসাবের মধ্যে রাখতে হবে।
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী ধনতেরস ও দীপাবলির সময়ে সোনা, রুপো কিংবা নতুন ধাতব সামগ্রী কেনা অত্যন্ত শুভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই সময় পরিবারে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি কামনায় ক্রেতারা সোনা ও রুপোর দোকানে ভিড় জমান। এমতাবস্থায়, উৎসবের ঠিক আগে এই মূল্যহ্রাস মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতাদের সোনা ও রুপোর অলংকার কিংবা বিনিয়োগের জন্য কয়েন ও বিস্কুট কেনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে অনেকটাই স্বস্তি দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।