মারুতি সুজুকি আর্টিকাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাজারে এসেছে মহিন্দ্রা বোলেরো বোল্ড এডিশন। ৭ সিটার এই ফ্যামিলি এসইউভিতে রয়েছে ১.৫ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন, যা লিটারে ১৬.৫ কিমি মাইলেজ দিতে সক্ষম। গাড়িটির এক্স-শোরুম দাম ৮.৫৭ লাখ থেকে ৯.৯৯ লাখ টাকার মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে। ব্রোঞ্জ ফিনিশ ও প্রিমিয়াম লেদারেট সিটের কারণে এটি ক্রেতাদের নজর কেড়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মহিন্দ্রা বোলেরো বোল্ড এডিশনে রেগুলার মডেলের মতো ১.৫ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতি লিটারে ১৬.৫ কিলোমিটার মাইলেজ প্রদান করে।
- গাড়িটির রেগুলার মডেলের এক্স-শোরুম দাম ৮.৫৭ লাখ থেকে ৯.৯৯ লাখ টাকার মধ্যে হলেও বোল্ড এডিশনের কাস্টমাইজেশন কিটের জন্য খরচ কিছুটা বেশি হতে পারে।
- বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ ডিজাইনে নতুনত্ব আনতে এতে সামনের গ্রিল ও বাম্পারে ব্রোঞ্জ ফিনিশ এবং কালো লেদারেট সিট যুক্ত করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য ৭ সিটার গাড়ির বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করতে বাজারে চলে এল মহিন্দ্রা বোলেরো বোল্ড এডিশন। মারুতি সুজুকি আর্টিকার সাথে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামা এই স্পেশ্যাল এডিশনটি মূলত রেগুলার বোলেরো মডেলের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। এতে বেশ কিছু আকর্ষণীয় কসমেটিক আপডেট ও নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যা গাড়িটির লুকে এনে দিয়েছে রাজকীয় ও মাসকুলার ভাব। শহরের রাস্তা কিংবা ফ্যামিলি ট্যুরের জন্য গাড়িটি বেশ উপযোগী করে তুলেছে এর আধুনিক ডিজাইন।
যান্ত্রিক পারফরম্যান্সের কথা বলতে গেলে, বোল্ড এডিশনে কোনো ইঞ্জিন বা গিয়ারবক্সে পরিবর্তন আনা হয়নি। এতে আগের মতোই ১.৫ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন রাখা হয়েছে। কোম্পানি দাবি করেছে যে, এই ইঞ্জিনটি লিটারে ১৬.৫ কিমি মাইলেজ দিতে সক্ষম, যদিও তা নির্ভর করবে রাস্তার কন্ডিশন ও ড্রাইভিং প্যাটার্নের ওপর। এছাড়া গাড়িটির এক্সটার্নাল ও ইন্টার্নাল লুকে বড় পরিবর্তন এনে সামনের গ্রিল ও বাম্পারে ব্রোঞ্জ ফিনিশ, ব্রোঞ্জ টাচ দেওয়া কালো লেদারেট সিট, রিয়ার ক্যামেরা এবং স্পেশাল ফ্লোর ম্যাট যুক্ত করা হয়েছে।
বাজারে এর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী মারুতি সুজুকি আর্টিকা পেট্রোল, সিএনজি এবং অটোমেটিক গিয়ারবক্সের বিকল্পে পাওয়া গেলেও বোলেরো বোল্ড এডিশনটি শুধুমাত্র ডিজেল ইঞ্জিন এবং ম্যানুয়াল গিয়ারবক্সেই বাজারে উপলব্ধ। রেগুলার বোলেরোর এক্স-শোরুম দাম ৮.৫৭ লাখ থেকে ৯.৯৯ লাখ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করলেও বোল্ড এডিশনের এক্সট্রা কিটের কারণে অন-রোড মূল্য কিছুটা বেশি হবে। তবে যারা উঁচু এসইউভি এবং ডিজেল ইঞ্জিনের শক্তিশালী পারফরম্যান্স পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় বিকল্প।
সব মিলিয়ে, ফ্যামিলি কার কেনার আগে ক্রেতাদের বাজেট, জ্বালানি খরচ এবং মেইনটেন্যান্সের বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। আর্টিকায় যেখানে সিএনজি ও অটোমেটিকের সুবিধা রয়েছে, সেখানে বোলেরো তার শক্তিশালী বিল্ড কোয়ালিটি ও রুক্ষ রাস্তার জন্য বেশি উপযোগী। তাই গাড়ি কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উভয় গাড়ির অন-রোড দাম, সিটের আরাম এবং সেফটি ফিচারগুলো ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।