রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের আমিষের প্রধান উৎস পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আকারভেদে বর্তমানে প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় এবং তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাত্র কয়েক বছর আগেও এই চাষের মাছ ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, যা এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজধানীর বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি পাঙাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা এবং বড় সাইজের ক্ষেত্রে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
- মাত্র কয়েক বছর আগেও ছোট ও মাঝারি সাইজের পাঙাশ ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, যা এখন সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে।
- রুই-কাতলার দাম আগেই নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার পর শেষ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দাম বৃদ্ধিতে আমিষের জোগান নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, থলে হাতে দাঁড়ানো মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে একসময় আমিষের প্রধান ভরসা থাকা পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের দাম এখন আকাশছোঁয়া। আকারভেদে বর্তমানে প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকায়। তবে দুই থেকে তিন কেজি ওজনের বড় পাঙাশের দর কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে।
অথচ মাত্র কয়েক বছর আগেও এই ছোট ও মাঝারি সাইজের পাঙাশ ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে অনায়াসেই কিনতে পারতেন সাধারণ ক্রেতারা। রুই, কাতলার মতো দেশি কার্প জাতীয় মাছের দাম আগেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল। ফলে অপেক্ষাকৃত সস্তা এই চাষের মাছগুলোই ছিল নিম্নবিত্তের শেষ আশ্রয়।
মাছ বিক্রেতারা বলছেন, মাছের খাদ্য, পরিবহন খরচ এবং পোনা উৎপাদনের ব্যয় বৃদ্ধির কারণে খামারিদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। পাইকারি বাজার থেকেই চড়া দামে মাছ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা, যার ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম কমানোর কোনো সুযোগ নেই।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে আমিষের জোগান নিয়ে এখন গভীর শঙ্কা তৈরি হয়েছে নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের মনে। পুষ্টির চাহিদা মেটানোর প্রধান মাধ্যম এই মাছগুলোর দাম এভাবে বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকা থেকে আমিষের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।