৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ বিশ্বব্যাপী অষ্টম স্থান অর্জন করায় উত্তরা ইউনিভার্সিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্প্রতি বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং গুণগত উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকার প্রশংসা করেন। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখাসহ প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ উত্তরা ইউনিভার্সিটি বিশ্বমঞ্চে সম্মানজনক অষ্টম স্থান অর্জন করেছে।
- বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা বিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন রূপকল্প ও গবেষণা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
- ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম. আজিজুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ 'ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬'-এ বিশ্বমঞ্চে অষ্টম স্থান অর্জন করেছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি। এই ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, উপাচার্য, উপদেষ্টা এবং শিক্ষক প্রতিনিধিদলের একটি উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে গুণগত উচ্চশিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন রাষ্ট্রপতি। পরিবর্তিত কর্মসংস্থানের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ ও সহায়কমূলক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি দেশের বর্তমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তরুণ প্রজন্মের সঠিক দিকনির্দেশনা ও ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন রাষ্ট্রপ্রধান।
বৈঠকে উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা বিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন রূপকল্প তুলে ধরেন। যেখানে অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ বৃদ্ধি, মানসম্মত গবেষণা পরিচালনা, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা স্থান পায়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জনাব আবিদ আজিজ বিদ্যালয়ের গবেষণা সংস্কৃতি জোরদার এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম. আজিজুর রহমানের দূরদর্শী অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সবুজ ক্যাম্পাস নীতি বাস্তবায়ন ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের উচ্চশিক্ষাখাতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় প্রেরণা জোগাবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।