রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকা থেকে শেহজাদ নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে জি ব্লকের ৯ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঢাকায় বিয়ে করে বসবাস করতেন এবং বিদেশে জনশক্তি প্রেরণের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার জি ব্লকের ৯ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে শেহজাদ নামক পাকিস্তানি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
- প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, নিহত শেহজাদ ঢাকায় বিয়ে করে ওই বাসায় বসবাস করতেন এবং তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- বাসার দারোয়ানের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে খিলগাঁও থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার একটি বাসা থেকে শেহজাদ নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে জি ব্লকের ৯ নম্বর রোডের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ওই বিদেশি নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং স্থানীয় এক নারীকে বিয়ে করে ওই বাসাটিতেই বসবাস করতেন।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে শেহজাদ পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর বা জনশক্তি রপ্তানির ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে তার এই আকস্মিক মৃত্যুর পেছনে ব্যবসায়িক কোনো বিরোধ, পারিবারিক কলহ নাকি অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুপুর ১২টার দিকে বাসার দারোয়ান ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে ও ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে খিলগাঁও থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। খিলগাঁও থানার ডিউটি অফিসার এসআই জয়নব গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার পরপরই থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করেছেন। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এই ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং শেহজাদের ব্যবসায়িক অংশীদার কিংবা তার পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টিও নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।