তিন গণমাধ্যমের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল মার্কিন আদালত
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"আদালত জানিয়েছে, গত সপ্তাহে এই তিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে তাদের সাংবিধানিক আইনি অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে- এমন সম্ভাবনা থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক টিমোথি কেলি ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সাম..."
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আদালত জানিয়েছে, গত সপ্তাহে এই তিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে তাদের সাংবিধানিক আইনি অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে- এমন সম্ভাবনা থাকতে পারে।
- সাইবার নিরাপত্তার নামে ক্ষমতা কায়েমের আইনি ফাঁদ সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এক মার্কিন ফেডারেল বিচারক।
- কোনো কোনো মামলায় সংবাদমাধ্যমগুলো বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতা করলেও বিবিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এক মার্কিন ফেডারেল বিচারক।
আদালত জানিয়েছে, গত সপ্তাহে এই তিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে তাদের সাংবিধানিক আইনি অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে- এমন সম্ভাবনা থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক টিমোথি কেলি ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করেছেন।
আগামী ১৪ দিনের জন্য এই তিন সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের প্রেস পাস ও হোয়াইট হাউজে প্রবেশাধিকার পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পর এর বিরুদ্ধে যৌথভাবে আইনি লড়াই শুরু করে তিন সংবাদমাধ্যম।
ট্রাম্প প্রশাসন আদালতে দাবি করেছিল, সংবাদমাধ্যমগুলো ভুয়া তথ্য প্রকাশ করছে এবং এতে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। তবে আদালত তাদের এই যুক্তি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।
আদালতের রায়ের বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে ট্রাম্পের আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিচারক টিমোথি কেলি রায়ে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া না মেনে হোয়াইট হাউজ যেভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে তিন সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ সত্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ডনাল্ড ট্রাম্প যখন গত শুক্রবার প্রথম ওই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা করেন, তখন জাতীয় নিরাপত্তার কোনও কথা উল্লেখ করেননি বলেও মনে করিয়ে দেন বিচারক।
ট্রাম্প সে সময় দাবি করেছিলেন, ওই তিনটি সংবাদমাধ্যম তার ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া খবর’ এবং ‘গল্প বানিয়ে মিথ্যাচার’ করছে।
তবে বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন, “বাদীদের প্রেস পাস বাতিল করলে সত্যি সত্যি জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে কিংবা মামলা চলাকালে প্রেস পাস ফিরিয়ে দিলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, বিবাদীদের এমন দাবির সপক্ষে নথিপত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই।”
মঙ্গলবার আদালতে জমা দেওয়া নথিতে ট্রাম্প প্রশাসন হোয়াইট হাউজের একটি নতুন বলরুম নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু সংবাদ প্রতিবেদনের বিষয় তুলে ধরেছিল।
তবে বিচারক পর্যবেক্ষণ করে জানান, হোয়াইট হাউজ যেসব প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি তুলেছে, সেগুলোর বেশির ভাগই লিখেছেন এমন সব সাংবাদিক যাদের আদৌ প্রবেশপত্র ছিল না। আর যাদের ছিল, তাদের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে সংবাদ প্রকাশের জন্য সেই প্রেস পাসের খুব একটা ভূমিকা ছিল না।
প্রতিরক্ষা বিভাগের যে কর্মকর্তাদের বক্তব্য তুলে ধরে নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করা হয়েছিল, তারা সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজে কাজ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রত্যক্ষ কোনো ধারণা রাখেন না বলেও মন্তব্য করেন বিচারক।
সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষে লড়া আইনজীবী টেড বুট্রোস সিএনএন-কে বলেন, “এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং আইনের শাসনের পক্ষে এক ঐতিহাসিক জয়।”
এর আগে গত সোমবার ট্রাম্পের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় টিভি নেটওয়ার্কগুলো হোয়াইট হাউজের পুল ডিউটি সাময়িকভাবে বয়কট করে। সংবাদ সংগ্রহের খরচ ও স্থান বাঁচাতে মূলধারার গণমাধ্যমগুলো পুল প্রথার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট কাভারেজের তথ্য নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে থাকে।
সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর এই লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ায় দেশটির ৪৯টি প্রধান গণমাধ্যম। নিউ ইয়র্ক টাইমস, সিবিএস নিউজ এমনকি ট্রাম্পঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ফক্স নিউজও এই মামলার সমর্থনে আদালতে আইনি নথি জমা দিয়েছিল।
ডনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই মার্কিন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর কঠোর সমালোচনা করেন। ইতিপূর্বে তার প্রশাসন নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও বিবিসির মতো নামিদামি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
কোনো কোনো মামলায় সংবাদমাধ্যমগুলো বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতা করলেও বিবিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।
আমার ‘ত্রিকালদর্শী’ জীবন: 'আড্ডানামায়’ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের শাবিতে সংবর্ধনা ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল ৫ দিনের রিমান্ডে স্কুলের বাইরে নিষিদ্ধ জাঙ্ক ফুড, শিশুদের স্থূলতা ঠেকানোর পথে ভারত আরও পড়ুন মতামত চিররঞ্জন সরকার আখতার ভাই: একটি আলিঙ্গনের দীর্ঘ স্মৃতি
পশ্চিমা আমদানি নয়: সুফি দর্শনেই আছে বহুত্ববাদের শিকড়
এআই থামবে না, খাপ খাইয়ে নিতে পারবে তো বাংলাদেশ?
সাইবার নিরাপত্তার নামে ক্ষমতা কায়েমের আইনি ফাঁদ
সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এক মার্কিন ফেডারেল বিচারক।
আদালত জানিয়েছে, গত সপ্তাহে এই তিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে তাদের সাংবিধানিক আইনি অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে- এমন সম্ভাবনা থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক টিমোথি কেলি ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করেছেন।
আগামী ১৪ দিনের জন্য এই তিন সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের প্রেস পাস ও হোয়াইট হাউজে প্রবেশাধিকার পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পর এর বিরুদ্ধে যৌথভাবে আইনি লড়াই শুরু করে তিন সংবাদমাধ্যম।
ট্রাম্প প্রশাসন আদালতে দাবি করেছিল, সংবাদমাধ্যমগুলো ভুয়া তথ্য প্রকাশ করছে এবং এতে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। তবে আদালত তাদের এই যুক্তি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।
আদালতের রায়ের বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে ট্রাম্পের আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিচারক টিমোথি কেলি রায়ে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া না মেনে হোয়াইট হাউজ যেভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে তিন সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ সত্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ডনাল্ড ট্রাম্প যখন গত শুক্রবার প্রথম ওই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা করেন, তখন জাতীয় নিরাপত্তার কোনও কথা উল্লেখ করেননি বলেও মনে করিয়ে দেন বিচারক।
ট্রাম্প সে সময় দাবি করেছিলেন, ওই তিনটি সংবাদমাধ্যম তার ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া খবর’ এবং ‘গল্প বানিয়ে মিথ্যাচার’ করছে।
তবে বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন, “বাদীদের প্রেস পাস বাতিল করলে সত্যি সত্যি জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে কিংবা মামলা চলাকালে প্রেস পাস ফিরিয়ে দিলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, বিবাদীদের এমন দাবির সপক্ষে নথিপত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই।”
মঙ্গলবার আদালতে জমা দেওয়া নথিতে ট্রাম্প প্রশাসন হোয়াইট হাউজের একটি নতুন বলরুম নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু সংবাদ প্রতিবেদনের বিষয় তুলে ধরেছিল।
তবে বিচারক পর্যবেক্ষণ করে জানান, হোয়াইট হাউজ যেসব প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি তুলেছে, সেগুলোর বেশির ভাগই লিখেছেন এমন সব সাংবাদিক যাদের আদৌ প্রবেশপত্র ছিল না। আর যাদের ছিল, তাদের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে সংবাদ প্রকাশের জন্য সেই প্রেস পাসের খুব একটা ভূমিকা ছিল না।
প্রতিরক্ষা বিভাগের যে কর্মকর্তাদের বক্তব্য তুলে ধরে নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করা হয়েছিল, তারা সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজে কাজ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রত্যক্ষ কোনো ধারণা রাখেন না বলেও মন্তব্য করেন বিচারক।
সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষে লড়া আইনজীবী টেড বুট্রোস সিএনএন-কে বলেন, “এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং আইনের শাসনের পক্ষে এক ঐতিহাসিক জয়।”
এর আগে গত সোমবার ট্রাম্পের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় টিভি নেটওয়ার্কগুলো হোয়াইট হাউজের পুল ডিউটি সাময়িকভাবে বয়কট করে। সংবাদ সংগ্রহের খরচ ও স্থান বাঁচাতে মূলধারার গণমাধ্যমগুলো পুল প্রথার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট কাভারেজের তথ্য নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে থাকে।
সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর এই লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ায় দেশটির ৪৯টি প্রধান গণমাধ্যম। নিউ ইয়র্ক টাইমস, সিবিএস নিউজ এমনকি ট্রাম্পঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ফক্স নিউজও এই মামলার সমর্থনে আদালতে আইনি নথি জমা দিয়েছিল।
ডনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই মার্কিন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর কঠোর সমালোচনা করেন। ইতিপূর্বে তার প্রশাসন নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও বিবিসির মতো নামিদামি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
কোনো কোনো মামলায় সংবাদমাধ্যমগুলো বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতা করলেও বিবিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।